Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
রহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

সাতসকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ক্লিনিক ও গুদাম, ঘটনাস্থলে দমকলের তিন ইঞ্জিন

শনিবার সকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। বাড়ির নীচতলায় আগুন লেগে ছড়িয়ে পড়ে ই-রিকশা এজেন্সি, ক্লিনিক ও গুদামে।

সাতসকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ক্লিনিক ও গুদাম, ঘটনাস্থলে দমকলের তিন ইঞ্জিন

ফাইল চিত্র

অন্বেষা বিশ্বাস

শেষ আপডেট: 28 February 2026 12:31

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাতসকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আতঙ্ক ছড়াল উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরীতে (Mainpuri Fire Incident)। শনিবার ভোরে, সকাল প্রায় ৬টা নাগাদ একটি বাড়ির নীচতলায় আচমকাই আগুন ধরে যায়। প্রথমে স্থানীয়ভাবে আগুনের সূত্রপাত হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তা ছড়িয়ে পড়ে সংলগ্ন একটি ই-রিকশা এজেন্সি, একটি ক্লিনিক এবং একটি গুদামে।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের তিনটি ইঞ্জিন। দমকলকর্মীদের দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর অবশেষে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে ততক্ষণে একাধিক জায়গা ভস্মীভূত হয়ে যায়। স্বস্তির বিষয়, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

কয়েকদিন আগে কলকাতার ভুটিয়া মার্কেটের অধিকাংশ দোকান শীতবস্ত্রে ঠাসা ছিল। সেই বিপুল পরিমাণ দাহ্য পোশাকই আগুন লাগার পর পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তোলে। মুহূর্তের মধ্যে শিখা ছড়িয়ে পড়ে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে। চোখের সামনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় বিপুল পরিমাণ পোশাক ও মালপত্র। লেলিহান আগুন আর ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। আতঙ্কে ছুটোছুটি শুরু করেন ব্যবসায়ী ও পথচারীরা।

প্রথম দিকে স্থানীয় বাসিন্দা ও দোকানদাররাই আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা ক্রমশ বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। শেষমেশ দমকলে খবর দেওয়া হলে তিনটি ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু করে।

 


```