চিকিৎসকরা জানান, মেয়েটি নিজের গর্ভাবস্থার ব্যাপারে কিছুই জানত না। ভর্তি হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাতের দিকে সে এক শিশুর জন্ম দেয়।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 9 November 2025 17:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নাবালিকা বোনের সঙ্গে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক (forceful physical relationship with minor sister) তৈরি করেছিল অভিযুক্ত। গর্ভবতী (pregnant) হয়ে পড়ে মেয়েটি। এমন এক গুরুতর অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে কর্নাটক পুলিশ।
জানা গিয়েছে, ঘটনাটি কর্নাটকের (Karnataka) কোপ্পল জেলার। অভিযুক্তের বয়স মাত্র ২১ বছর।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে গত ৩০ অক্টোবর, যখন ওই কিশোরী তীব্র পিঠের যন্ত্রণা নিয়ে জেলার সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়। চিকিৎসকরা জানান, মেয়েটি নিজের গর্ভাবস্থার ব্যাপারে কিছুই জানত না। ভর্তি হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাতের দিকে সে এক শিশুর জন্ম দেয়।
হাসপাতালের চিকিৎসকদের কাছে দেওয়া বয়ানে মেয়েটি জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তার দাদা জোর করে তাকে শারীরিক সম্পর্কে যেতে বাধ্য করেছিল। অভিযুক্ত নাকি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, সে তাকে বিয়ে করবে এবং দেখাশোনার দায়িত্বও নেবে। মেয়েটি রাজি হয়নি।
নাবালিকা সমাজের ভয়ে প্রথমে বিষয়টি চেপে গিয়েছিল। পরে যখন সে পরিবারের কাছে জানাতে চেয়েছিল, তখন অভিযুক্ত তাকে আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেল করতে থাকে বলে অভিযোগ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মেয়েটির বাবা দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছেন। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে আলাদা থাকতেন। ওই অবস্থায়ই নাবালিকার সঙ্গে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।
মেয়েটির অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (Bharatiya Nyaya Sanhita)–র ধারা ৬৪(২)(মি) এবং পকসো (POCSO) আইনের প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা রুজু করেছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
বাড়িতেই মেয়েরা যে নিরাপদ নয়, তার আরও এক উদাহরণ উঠে এসেছে উত্তরপ্রদেশ থেকে। মদ্যপ অবস্থায় নিজেরই ছয় বছরের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শিশুটি আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। অভিযুক্তর স্ত্রী অর্থাৎ নির্যাতিতার মা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরপরই তদন্তে নেমে পুলিশ ওই পলাতক ব্যক্তির খোঁজ শুরু করেছে।
নির্যাতিতার মায়ের অভিযোগ, তাঁর স্বামী প্রতিদিন মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরতেন এবং প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝগড়া করতেন। ঘটনার রাতেও একইভাবে মাতাল অবস্থায় বাড়ি ফেরেন। কিন্তু সেদিন কারও সঙ্গে কথা না বলে মেয়েকে নিয়ে ঘরে ঢুকে যান। কিছুক্ষণ পর মেয়ের কান্নার আওয়াজ শুনে সন্দেহ হয় মায়ের। তিনি ঘরে ঢুকে দেখেন এবং তাঁর স্বামীকে জঘন্য কাজ করতে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত দীর্ঘদিন ধরে মদ্যপানে আসক্ত এবং পরিবারে প্রায়ই অশান্তি করতেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও বলেছেন, তাঁকে প্রায়ই মাতাল অবস্থায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যেত। শিশুটির মায়ের এখন একটাই দাবি, ন্যায়বিচার।