Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
সরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র

যোধা-আকবরের বিয়ের গপ্প মিথ্যে, রাজকন্যা নয়, পরিচারিকাকে শাদি করেন: রাজস্থানের রাজ্যপাল

মুঘল সম্রাট আকবর রাজস্থানের আমের থেকে আনা প্রাসাদের এক ‘বাঁদি’কে (পরিচারিকা) বিয়ে করেছিলেন।

যোধা-আকবরের বিয়ের গপ্প মিথ্যে, রাজকন্যা নয়, পরিচারিকাকে শাদি করেন: রাজস্থানের রাজ্যপাল

রাজ্যপালের এই আনকোরা দাবি, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলে আসা ঐতিহাসিক কাহিনিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে।

শেষ আপডেট: 30 May 2025 13:12

দ্য ওয়াল ব্যুরো: যোধা-আকবরের বিয়ে হয়নি। সব গপ্প, সব কাহিনি মিথ্যে। দাবি রাজস্থানের রাজ্যপাল হরিভাউ বাগড়ে-র। তাঁর এই মন্তব্যে নতুন করে বিতর্ক ঘনিয়ে উঠেছে। তিনি দাবি করে বলেন, মুঘল সম্রাট আকবর রাজস্থানের আমের থেকে আনা প্রাসাদের এক বাঁদিকে (পরিচারিকা) বিয়ে করেছিলেন। মোটেই কোনও রাজকন্যাকে বিয়ে করেননি। রাজ্যপালের এই আনকোরা দাবি, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলে আসা ঐতিহাসিক কাহিনিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে। শুধু তাই নয়, তিনি অভিযোগের সুরে বলেছেন, ব্রিটিশ ঐতিহাসিকরা ইচ্ছে করে ইতিহাস, ভারতের অতীতের বিকৃতি ঘটিয়েছেন।

অতি সম্প্রতি মহারানা প্রতাপের জন্মবার্ষিকীর আগের সন্ধ্যায় প্রতাপ গৌরব কেন্দ্রে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন, এটা প্রচার করা হয় যে, যোধা এবং আকবরের বিয়ে হয়েছিল। এই গল্পের উপর নির্ভর করে একটি সিনেমাও হয়েছিল। ইতিহাসের বইতেও একথা লেখা আছে। কিন্তু, এটা পুরোপুরি একটা মিথ্যে।

বাগড়ে বলেন, আকবরের স্ত্রী মোটেই কোনও রাজকুমারী ছিলেন না। তিনি পরিচারিকার মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন। রাজা ভরমল এই বিয়ের আয়োজন করে দিলেও তার সঙ্গে কোনও রাজকন্যার সম্পর্ক ছিল না। তিনি প্রমাণ হিসেবে দৃষ্টান্ত দিয়ে বলেন, আকবরের জীবনকথা আকবরনামাতেও যোধাবাইয়ের নামোল্লেখ পর্যন্ত নেই।

প্রসঙ্গত, বর্তমান জয়পুরের কাছে একটি ছোট্ট রাজ্য ছিল, যার নাম আমের। আকবরের আমলে সেখানে রাজত্ব করতেন কাছওয়াহা রাজপুতরা। ইতিহাসে বলে ও লোকমুখে প্রচলিত এই যে, আকবর রাজনৈতিক কৌশলগত বৈবাহিক সম্বন্ধ স্থাপনের উদ্দেশ্যে ভরমনের মেয়েকে ১৫৬৯ সালে বিয়ে করেছিলেন। ঐতিহাসিকদের মতে, সেই রাজকন্যার নাম ছিল হরকা বাই অথবা মরিয়ম-উজ-জামানি। তাঁরই জনপ্রিয় নাম হচ্ছে যোধা বাই।

রাজ্যপাল বাগড়ে এই ইতিহাস বিকৃতির জন্য ইংরেজ ঐতিহাসিকদের দায়ী করেন। জাতীয় রাজারাজড়া ও বীর নেতাদের গৌরবকে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত ছিল ইংরেজ ঐতিহাসিকদের মধ্যে। তিনি বলেন, ইংরেজ ঐতিহাসিকরা জাতীয় বীরদের ইতিহাস সঠিকভাবে তুলে ধরেননি, এবং এটাই প্রচার করে বেরিয়েছিলেন যাতে সাধারণ মানুষের মনের মধ্যেও সে বিশ্বাস জন্মায়।

তিনি দাবি করে বলেন, রাজপুত যোদ্ধা মহারানা প্রতাপ কোনওদিন আকবরের সঙ্গে চুক্তি করেননি। এটাও একটা বিরাট বিভ্রান্তিকর তথ্য। মহারানা প্রতাপ কোনওদিন মুঘল সম্রাটের কাছে বশ্যতা স্বীকার করে আত্মসম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দেননি।


```