কমিশনের চেয়ারপার্সন বিস্তারিত তদন্ত, ফরেনসিক পরীক্ষা ও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কীভাবে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে, তারও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
.jpg.webp)
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যু
শেষ আপডেট: 13 September 2025 22:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে তরুণী পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যু (JU student Death)। বৃহস্পতিবার রাতে চার নম্বর গেটের সামনে ঝিল থেকে উদ্ধার হয় দেহ। এই ঘটনায় এবার স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করল জাতীয় মহিলা কমিশন (NCW)। চেয়ারপার্সন বিজয়া রোহতকর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং কলকাতা পুলিশ কমিশনারের কাছে চিঠিও পাঠিয়েছেন।
কমিশনের চেয়ারপার্সন বিস্তারিত তদন্ত, ফরেনসিক পরীক্ষা ও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কীভাবে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে, তারও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টও চেয়ে পাঠানো হয়েছে।
The National Commission for Women has taken suo motu cognizance of the media report titled “Woman Student Found Dead Inside Jadavpur University” wherein a 21-year-old student of the English department was found dead in a lake inside the campus.#NCWSuoMoto pic.twitter.com/XvdQ9Z2LV9
— NCW (@NCWIndia) September 13, 2025
কমিশন জানিয়েছে, মৃতার পরিবারের কাছে নিয়মিত আপডেট পৌঁছাতে হবে এবং যদি কোনও অপরাধমূলক ঘটনা সামনে আসে তবে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। তিন দিনের মধ্যে সিপিকে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট (ATR) জমা দিতে বলা হয়েছে।
প্রাথমিক ময়নাতদন্ত রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, জলে ডুবেই মৃত্যু হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার নিমতার বাসিন্দা ওই ছাত্রীর। শরীরে বাইরে থেকে কোনও আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। তবে পুলিশ সূত্রের খবর, ভিসেরা পরীক্ষার পরই বোঝা যাবে, মদ বা অন্য কোনও নেশাজাতীয় পদার্থ ছিল কি না। ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন পড়ুয়ারা ও অভিভাবকরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে কাঠগড়ায় তোলেন সকলে। সমালোচনার মুখে নড়েচড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সেদিন ড্রামা ক্লাবের একটি অনুষ্ঠান চলছিল। তবে এত রাতে অনুষ্ঠান চালানোর অনুমতি ছিল না, স্বীকার করেছেন সহ-উপাচার্য অমিতাভ দত্ত। তিনি জানান, 'অনুষ্ঠানের জন্য অনুমতি অবশ্যই নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু রাত অবধি তা চলার কথা ছিল না। অনেক সময় নানা কারণে নির্ধারিত সময়ের বাইরে অনুষ্ঠান হয়, কিন্তু সেদিন ঠিক কতক্ষণ পর্যন্ত চলেছিল, এখনও জানি না।'
ঘটনাস্থলের চারপাশে তিনটি সিসি ক্যামেরা থাকলেও, যে পুকুর থেকে পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হয়েছে, সেখানে কোনও ক্যামেরা মুখ করে নেই। ফলে তিনি কীভাবে পুকুরে পড়লেন, তা এখনও অজানা। পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।