২০১৯ সালে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর জম্মু-কাশ্মীরে প্রথম রাজ্যসভা ভোট অনুষ্ঠিত হয়।

এই চারজনের নির্বাচনের মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীর থেকে সংসদের উচ্চকক্ষে শূন্য আসন পূর্ণ হতে চলেছে।
শেষ আপডেট: 25 October 2025 12:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহার বিধানসভা ভোটের ঠিক মুখে ইন্ডিয়া জোটের কাছে পর্যুদস্ত হল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। জম্মু-কাশ্মীরে রাজ্যসভার ভোটে ৩-১-এ গোহারা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দল। ২০১৯ সালে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর জম্মু-কাশ্মীরে প্রথম রাজ্যসভা ভোট অনুষ্ঠিত হয়। চারটি আসনের মধ্যে ফারুক-ওমর আবদুল্লার ন্যাশনাল কনফারেন্স তিনটিতে জয় হাসিল করেছে। একটিতে জিতে খাতা খোলা রেখেছে বিজেপি।
বিধানসভার সচিব জানিয়েছেন, ন্যাশনাল কনফারেন্সের চৌধুরি মহম্মদ রমজান বিজেপির আলি মহম্মদ মিরকে প্রথম আসনে পরাজিত করেন। ৮৭টি ভোটের মধ্যে তিনি ৫৮ ভোট পেয়েছেন। বিজেপি প্রার্থী পেয়েছেন ২৮টি ভোট। একটি ভোট বাতিল হয়েছে। দ্বিতীয় আসনে এনসি-র সাজাদ কিচলু বিজেপির রাকেশ মহাজনকে কিচলু ৫৭ এবং মহাজন ২৯টি ভোট পেয়েছেন। ২টি ভোট বাতিল হয়েছে।
এনসি-র প্রার্থী ছিলেন জিএস ওবেরয় এবং ইমরান নবি দার। বিজেপি প্রার্থী করেছিল রাজ্যের দলীয় প্রধান সৎ শর্মাকে। ওবেরয় পেয়েছেন ৩১, দার ২১ এবং শর্মা ৩২টি ভোট পেয়েছেন। তিনটি ভোট বাতিল হয়েছে। এই আসনে বিজেপি চারটি অতিরিক্ত ভোট পেয়েছেন, সম্ভবত নির্দল বিধায়কদের থেকে।
এই চারজনের নির্বাচনের মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীর থেকে সংসদের উচ্চকক্ষে শূন্য আসন পূর্ণ হতে চলেছে। ২০২১ সাল থেকে এই চার আসন শূন্য পড়ে রয়েছে। ভোটের ফল ঘোষণার পর মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা বলেন, বিজেপি ক্রস ভোটিং করিয়েছে। এবং জবরদস্তি ভোট বাতিল করিয়েছে। চারটি ভোটেই এনসি-র ভোট একত্রিত থেকেছে। দলের নির্বাচনী এজেন্টই একথা জানিয়েছেন দলকে।
ওমরের প্রশ্ন, তাহলে বিজেপি কী করে অতিরিক্ত চারটি ভোট পেল? বিজেপির বিধায়ক সংখ্যাই বলে দিচ্ছে এই ভোট পাওয়া তাদের পক্ষে অসম্ভব। এতেই বুঝে নিতে হবে যে, কিছু বিধায়কের সঙ্গে আগাম রফা করে নিয়েছিল বিজেপি। ভোট ইচ্ছা করেই বাতিল হয়ে যাবে, এমন বিধায়ক কারা? সৎ সাহস থাকলে তাঁরা হাত তুলে দেখান মুখটা। কোন চাপে তাঁরা এই সিদ্ধান্ত বাধ্য হলেন, খুলে বলুন, দাবি তোলেন ওমর।