Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
সরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র

IndiGo: 'বসকে কেউ বলুন চাকরিটা যেন...' ইন্ডিগোর বিপর্যস্ত পরিষেবায় দিশেহারা যাত্রীর আবেদন

ইন্ডিগোর মতে, পরিস্থিতি এমন দ্রুত খারাপ হবে, তা তারা আন্দাজ করতে পারেনি। ফলে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে (IndiGo flight cancellations and delay)।

IndiGo: 'বসকে কেউ বলুন চাকরিটা যেন...' ইন্ডিগোর বিপর্যস্ত পরিষেবায় দিশেহারা যাত্রীর আবেদন

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 4 December 2025 17:27

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত কয়েকদিন ধরে ইন্ডিগোর (IndiGo) বিপুল সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল ও দেরির (IndiGo flight cancellations and delay) ফলে দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে (airports) যাত্রীদের ক্ষোভ-দুশ্চিন্তা ও উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। সাহায্যের জন্য হেল্প ডেস্ক বা বোর্ডিং গেটে বারবার অনুরোধ করেও সদুত্তর মেলেনি- এমন অভিযোগই বারবার উঠে এসেছে যাত্রীদের মুখে (passenger complaints IndiGo)।

দেশের আকাশপথ পরিষেবার এই বিপর্যস্ত পরিস্থিতির ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (passenger complaints IndiGo viral)। ইন্ডিগোর এক যাত্রীর এই অসহায় আবেদন যেন হাজার হাজার যাত্রীর মনের অবস্থাকেই তুলে ধরেছে।

X-ইউজার আয়ুষ কুচিয়ার পোস্ট করা একটি ভিডিও তুলে ধরেছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় ক্লান্ত, দিশেহারা যাত্রীদের পরিস্থিতি। ভিডিওতে এক যাত্রী কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “কেউ দয়া করে আমার বসকে বলে দিন, যেন আমাকে চাকরি থেকে না বার করে দেন।” দীর্ঘ এই জটে কাজে দেরি হওয়ায় চাকরি নিয়ে আতঙ্ক স্পষ্ট তাঁর কথায়।

আরেক যাত্রীর দাবি, ফ্লাইটে দেরির সমস্যার কারণ “ক্যাপ্টেন এসে পৌঁছননি।” এক প্রবীণ নাগরিক আবার সরাসরি বলেছেন, “এখন আর ওদের উপর বিশ্বাস থাকছে না।”

আয়ুষ জানান, তাঁর শ্বশুরমশাই অসুস্থ, জরুরি প্রয়োজনেই এই সফর। কিন্তু ইন্ডিগোর পক্ষ থেকে কোনও আপডেট না থাকায় তিনি সম্পূর্ণ অসহায়।

ইন্ডিগো ফ্লাইটে ধস, তথ্যবিভ্রাটে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা

X-এ একাধিক পোস্ট ও ভিডিওতে যাত্রীরা দাবি করেছেন, ডিসপ্লে বোর্ডে দেখানো হচ্ছে ‘অন টাইম’, অথচ শেষ মুহূর্তে ঘোষণা ছাড়াই বাতিল হয়ে যাচ্ছে ফ্লাইট। এতে সমস্যায় পড়ছেন বাচ্চা ও বয়স্কদের নিয়ে ভ্রমণকারী পরিবার থেকে শুরু করে কর্মসূত্রে যাত্রা করা যাত্রীরাও।

দেশজুড়ে ছড়াল ক্ষোভ - হায়দরাবাদ, পুনে, আমদাবাদেও বিশৃঙ্খলা

আয়ুষের ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে একই ধরনের অভিযোগ উঠে আসতে থাকে।

হায়দরাবাদে এক যাত্রী ভিডিও পোস্ট করে জানান, টার্মিনালে কার্যত বিশৃঙ্খলা চলছে। তাঁর অভিযোগ, এটা স্পষ্ট “ইন্ডিগো ম্যানেজমেন্টের ব্যর্থতা”, যা আগে থেকে যোগাযোগ রাখলে এড়ানো যেত। তাঁর কথায়, “সব শেষ মুহূর্তে আগুন নেভানোর মতো করে সামলাতে হচ্ছে।”

পুনেতে ডাঃঃ প্রশান্ত পানসারে অভিযোগ করেন, বোর্ডিং গেটে কোনও স্টাফই নেই। যাত্রীরা নিজেদের মতো গঠিত হয়ে তথ্য জোগাড় করার চেষ্টা করছেন, অথচ ডিসপ্লেতে দেখাচ্ছে ‘অন টাইম’।

আবার কেউ কেউ পরিস্থিতি শান্ত রাখার অনুরোধও করেছেন। এক যাত্রীর বক্তব্য, ইন্ডিগোর কর্মীরা “অভদ্র যাত্রীদের” সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। তিনি লেখেন, “ওরাও তো দেরি উপভোগ করে না। একটু নিঃশ্বাস নিন, কফি খান।”

আমদাবাদ থেকেও ক্ষোভের সুর। এক পোস্টের ভাষায়, “পরিস্থিতি হতাশাজনক, বিরক্তিকর এবং অপমানজনক। সবকিছু নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।”

DGCA–র জরুরি বৈঠক, ২০০-র বেশি ফ্লাইট বাতিল

অনলাইনে এবং বিমানবন্দরে একযোগে অস্বস্তি বাড়তে থাকায় বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েছে DGCA। আজ দুপুর দু’টোয় ইন্ডিগো কর্তৃপক্ষকে তলব করেছে বিমান নিয়ন্ত্রক সংস্থা। কারণ, শুধু আজই ২০০–র কাছাকাছি ফ্লাইট বাতিল, আরও বহু ফ্লাইট ঘণ্টার পর ঘণ্টা দেরি।

সংকটের সূত্রপাত বুধবার থেকেই, যখন ১০০–র বেশি ফ্লাইট বাতিল হয় - বিশেষত দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদে।

ইন্ডিগোর ব্যাখ্যা: প্রযুক্তিগত সমস্যা, শীতকালীন সময়সূচি, আবহাওয়া ও ক্রু-রোস্টারিং

ইন্ডিগো প্রতিদিন প্রায় ২,৩০০টি ফ্লাইট পরিচালনা করে। সংস্থার দাবি, এই সঙ্কট একাধিক কারণের সম্মিলিত প্রভাব। তাদের ব্যাখ্যা:

  • কিছু মাইনর টেকনিক্যাল গ্লিচ
  • উইন্টার স্কেডিউলিং
  • খারাপ আবহাওয়া
  • এয়ারস্পেস কনজেশন
  • নতুন ক্রু-রোস্টারিং নিয়ম

ইন্ডিগোর মতে, পরিস্থিতি এমন দ্রুত খারাপ হবে, তা তারা আন্দাজ করতে পারেনি। ফলে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।


```