ইউআর কোড স্ক্যান করো, আর পেমেন্ট করো। কিংবা কার্ড সোয়াইপ করো, পেমেন্ট খাল্লাস। কিন্তু, এই মাধ্যমের পদে পদে বিপদ দাঁড়িয়ে রয়েছে শিয়রে।

প্রতীকী ছবি।
শেষ আপডেট: 26 July 2025 10:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এখন অধিকাংশ লেনদেনই চলে ডিজিটাল মাধ্যমে। রাস্তার দোকানে এককাপ চা থেকে ফ্রিজ কেনাও হয় ডিজিটাল পেমেন্টে। নগদের ব্যবহার প্রায় কমেই এসেছে। ইউআর কোড স্ক্যান করো, আর পেমেন্ট করো। কিংবা কার্ড সোয়াইপ করো, পেমেন্ট খাল্লাস। কিন্তু, এই মাধ্যমের পদে পদে বিপদ দাঁড়িয়ে রয়েছে শিয়রে। যাকে বলে ডিজিটাল অ্যারেস্ট। বিভিন্নভাবে প্রতারকরা মুহূর্তে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ থেকে কোটি টাকা। এভাবে গত পাঁচবছরে দেশবাসী ৫৮০ কোটি টাকা প্রতারণার শিকার হয়েছেন। সংখ্যাটি নেতাত কম নয়। এর মধ্যে মাত্র গত ২ বছরেই প্রতারণার শিকার হতে হয়েছে ৬৭ শতাংশ। সংসদে এ তথ্য জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
কংগ্রেস এমপি অ্যান্টো অ্যান্টনি ও বিজেপি এমপি বৈজয়ন্ত পান্ডার প্রশ্নের লিখিত জবাবে লোকসভায় এই তথ্য দিয়েছেন অর্থ রাষ্ট্রমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরি। তিনি জানান, গত পাঁচবছরে প্রায় সাড়ে ৬ লক্ষের বেশি ডিজিটাল পেমেন্ট প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। ডিজিটাল পেমেন্টের মধ্যে রয়েছে, ইউপিআই, ক্রেডিট, ডেবিট কার্ড, অ্যাডভান্সেস, লেন্ডিং অ্যাপলিকেশনস এবং অন্যান্য ইন্টারনেট নির্ভর লেনদেন ব্যবস্থা।
রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলশাসিত অঞ্চলগুলির মধ্যে মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, দিল্লি এবং তামিলনাড়ু এ ধরনের প্রতারণার ঘটনার শীর্ষস্থানে রয়েছে। এই চার রাজ্য মিলিয়ে মোট প্রতারণার ৬৯ শতাংশ ঘটেছে গত পাঁচবছরে। মন্ত্রী হিসাব দিয়ে বলেছেন, ২০২৪-২৫ সালে তামিলনাড়ুতে ডিজিটাল প্রতারণার ২৫ শতাংশ এবং মহারাষ্ট্র গত চার বছরে শীর্ষস্থানে রয়েছে।
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক স্বীকার করে নিয়েছে, এইসব প্রতারণার খুব সামান্য অংশই উদ্ধার করা গিয়েছে। মন্ত্রী জানান, গত পাঁচবছরে ডিজিটাল প্রতারণার মাত্র ৪৩ শতাংশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি টাকা প্রতারকরা গিলে খেয়ে ফেলেছে। জবাবি বিবৃতিতে মন্ত্রী চৌধুরি উল্লেখ করেন যে, তবে এর দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের। কারণ পুলিশ ও প্রশাসন রাজ্যের এক্তিয়ারে পড়ে।