Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহের

ধস ও টানা তুষারপাতে সিকিমের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, আটকে ১৬০০ পর্যটক! রাত থেকে উদ্ধার মাত্র ১৫০

গত ৫ এপ্রিল লাচেন ও মঙ্গনের মধ্যে সংযোগকারী সড়কে ধস নামার পর থেকেই সমস্যার সূত্রপাত। তার পর ৭ ও ৮ এপ্রিল টানা তুষারপাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

ধস ও টানা তুষারপাতে সিকিমের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, আটকে ১৬০০ পর্যটক! রাত থেকে উদ্ধার মাত্র ১৫০

উত্তর সিকিমের ধস (ফাইল ছবি)

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 9 April 2026 16:15

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তর সিকিমে ভয়াবহ পরিস্থিতি (North Sikkim landslide)। ধস ও তুষারপাতের জেরে লাচেনে আটকে পড়েছেন প্রায় ১,৬০০ পর্যটক (Lachen stranded tourists)। উদ্ধারকাজে নামল সেনাবাহিনী, শুরু হয়েছে বিশেষ অভিযান।

গত ৫ এপ্রিল লাচেন ও মঙ্গনের মধ্যে সংযোগকারী সড়কে ধস নামার পর থেকেই সমস্যার সূত্রপাত। তার পর ৭ ও ৮ এপ্রিল টানা তুষারপাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। রাস্তার অবস্থা এতটাই খারাপ যে পর্যটকদের বের করে আনা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে।

এই অবস্থায় বুধবার থেকে উদ্ধারকাজ শুরু করে সেনাবাহিনী। অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘হিমসেতু’ (Operation Himsetu)। পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের ত্রিশক্তি কোর দ্রুত আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধারে নামে। সেনার তরফে জানানো হয়েছে, প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রবল তুষারপাতের মধ্যেও বিকল্প পথ খুলে দেওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ গিরিপথ চালু করার চেষ্টা চলছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা পর্যন্ত মাত্র ১৫০ জন পর্যটককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আবহাওয়া এখনও অনুকূলে না থাকায় উদ্ধার অভিযান ধীরগতিতেই এগোচ্ছে।

লাচেন উত্তর সিকিমের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে হিমবাহের জলাধার ভেঙে ভয়াবহ বন্যার পর দীর্ঘদিন এই এলাকা পর্যটকদের জন্য বন্ধ ছিল। চলতি বছরের ১ মার্চ থেকে ফের পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। তারপর থেকে পর্যটকদের ভিড় বাড়তে শুরু করে।

স্থানীয় বাসিন্দা রিনাম লাচেনপার কথায়, ডোংখা লা পাস দিয়ে একটি বিকল্প রাস্তা থাকলেও সেটি অত্যন্ত দীর্ঘ এবং দুর্গম। প্রয়োজনে শেষ বিকল্প হিসেবেই ওই পথ ব্যবহার করা যায়।

এই পরিস্থিতিতে পর্যটকদের নিরাপদে ফেরানোই এখন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উদ্বেগ কাটছে না।


```