ডিপফেক সহ এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে ক্ষতিকর কনটেন্ট রোধে ভারত সরকারের বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক আইটি আইনবিধিতে বড়সড় বদল আনার প্রস্তাব দিয়েছে।

এআই টুলস অপব্যবহার করে বিভিন্ন ছবি বিকৃত করা এবং ভুয়ো খবর ছড়ানোর প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গিয়েছে।
শেষ আপডেট: 22 October 2025 17:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডিপফেক সহ এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে ক্ষতিকর কনটেন্ট রোধে ভারত সরকারের বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক আইটি আইনবিধিতে বড়সড় বদল আনার প্রস্তাব দিয়েছে। খসড়া আইনের লক্ষ্য হল, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলা। এবং নকল বা ভুয়ো কনটেন্টের বদলে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরা। সরকারি বিধিনিষেধে এআই ডেভেলপার এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি কনটেন্টে এআই জেনারেটেড লেবেল লাগানো বাধ্যতামূলক করার চিন্তাভাবনা রয়েছে।
মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, এআই টুলস অপব্যবহার করে বিভিন্ন ছবি বিকৃত করা এবং ভুয়ো খবর ছড়ানোর প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গিয়েছে। এই ধরনের এআই টুলস থেকে তৈরি করা যে কোনও কনটেন্ট দেশে বা সমাজে হানিকারক প্রভাব ফেলতে পারে, ভুল তথ্য ছড়াতে পারে, নির্বাচনে নয়ছয় করতে পারে অথবা কোনও ব্যক্তির ভুয়ো প্রতিরূপ গড়ে তুলতে সক্ষম।
প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলিকে নিশ্চিত করতে হবে যে, ব্যবহারকারীরা যা আপলোড করছেন তা ডিপফেক মেটেরিয়াল কিনা। এই বিধির লক্ষ্যই হল- আরও বেশি স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা। দেশে প্রায় ১০০ কোটি লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। এর মধ্যে ভারতের মতো নানা ভাষা, নানা পরিধানের দেশে একটি মাত্র ভুল তথ্য সামাজিক স্থিরতায় বিঘ্ন ঘটাতে পারে। ভুল ছবি পোস্ট করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে দেওয়া যেতে পারে। সেই ঘটনা অতীতে ঘটেছেও। ফলে গণতন্ত্রের পক্ষে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, প্রস্তাবের দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে- নাগরিকদের সুরক্ষিত রাখা।