রানওয়ে সংস্কারের জন্য দেশের ৪টি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে সাময়িক পরিষেবা বন্ধ। কোথাও যাওয়ার থাকলে বেছে নিতে হবে বিকল্প রুট।

বিমানবন্দর
শেষ আপডেট: 20 March 2026 09:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রানওয়ে (runway) সংস্কারের কাজের জন্য দেশের চারটি বিমানবন্দরে (airport) সাময়িক পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত। ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) অধীনে থাকা যোধপুর (Jodhpur), শ্রীনগর (Srinagar), পুণে (Pune) ও আদমপুর (Adampur) বিমানবন্দরে ধাপে ধাপে এই কাজ চলবে, এর ফলে প্রভাব পড়বে অসামরিক উড়ান (civil flight) পরিষেবায়।
সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই রিকার্পেটিং (recarpeting) বা রানওয়ে সংস্কারের কাজ হবে পর্যায়ক্রমে। ইতিমধ্যেই কিছু ক্ষেত্রে নোটাম (NOTAM—Notice to Air Missions) জারি করা হয়েছে। যাতে উড়ান পরিষেবায় সমস্যা কম হয়, তার জন্য স্লট কো-অর্ডিনেশন (slot coordination) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এয়ারলাইন্সগুলোকে আগেভাগে জানানো হয়েছিল।
প্রথম ধাপে যোধপুর (Jodhpur) বিমানবন্দরে পরিষেবা বন্ধ থাকবে প্রায় এক মাস—২৯ মার্চ থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত। যদিও প্রথম পর্যায়ের কাজ ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল, তা এখনও শুরু হয়নি। তবে মে মাসের মধ্যে তৃতীয় ধাপের কাজ শেষ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ইন্ডিগো (IndiGo), এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) ও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস (Air India Express) ২৮ মার্চের পরের বুকিং (booking) বন্ধ করে দিয়েছে।
কোন কোন বিমানবন্দরে কাজ চলব, কবে বন্ধ থাকবে?
শ্রীনগর (Srinagar) বিমানবন্দরে আলাদা সূচি রয়েছে। অগস্ট থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহান্তে (weekends) বিমানবন্দর বন্ধ থাকবে। এরপর ১৬ অক্টোবর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত টানা ২১ দিনের জন্য সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হবে।
পুণে (Pune) বিমানবন্দরে সংস্কারের সময়সূচি পরে ঘোষণা করা হবে, তবে বছরের শেষের দিকে পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, পাঞ্জাবের (Punjab) আদমপুর (Adampur) এয়ার বেসে (air base) নভেম্বরের পর রানওয়ে পরিবর্তনের কাজ শুরু হবে। সূত্রের দাবি, এই বিমানবন্দর প্রায় আট মাস বন্ধ থাকতে পারে, যদিও সময়সীমা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।
এই চারটি বিমানবন্দরই যৌথভাবে সামরিক (military) ও অসামরিক কাজে ব্যবহৃত হয়। যুদ্ধবিমান (fighter jets) ও সামরিক উড়ানের জন্য কঠোর প্রযুক্তিগত মান বজায় রাখা জরুরি, তাই নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ (maintenance) অপরিহার্য। বিশেষ করে পাকিস্তান (Pakistan) সীমান্তের কাছে হওয়ায় এই বিমানবন্দরগুলির কৌশলগত গুরুত্বও যথেষ্ট।
সব মিলিয়ে, সাময়িক অসুবিধা হলেও নিরাপত্তা ও অবকাঠামো উন্নয়নের স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত—এমনটাই মত সংশ্লিষ্ট মহলের।