ডিরেক্টর জানান, বিষয়টি শুধুমাত্র ছাত্রদের একাংশের ‘ইনফর্মাল’ ইমেলের ফল, যা মিডিয়ায় ভুল প্রেক্ষিতে ছড়িয়ে পড়েছে।প্রশাসন বিষয়টি জানতে পারার পরই হস্তক্ষেপ করেছে।

আইআইটি খড়্গপুর
শেষ আপডেট: 14 September 2025 18:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইআইটি খড়্গপুরে (IIT Kharagpur) ভেজ ও নন-ভেজ টেবিল (veg and non veg seats segregation)) আলাদা করার বিতর্ক নিয়ে নতুন করে মুখ খুললেন ইনস্টিটিউটের নবনিযুক্ত ডিরেক্টর অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী। তিনি স্পষ্ট জানালেন, প্রশাসনের তরফে কখনওই এমন কোনও নির্দেশ জারি করা হয়নি। বিষয়টি শুধুমাত্র ছাত্রদের একাংশের ‘ইনফর্মাল’ ইমেলের ফল, যা মিডিয়ায় ভুল প্রেক্ষিতে ছড়িয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, “আমরা আইআইটি খড়্গপুরের তরফে কোনওদিন আসন বিভাজনের নির্দেশ দিইনি। ১৬ হাজারেরও বেশি ছাত্রছাত্রী এখানে পড়াশোনা করে, তাদের একাংশ নিজেদের স্বার্থে বিষয়টি করেছে। এমন কোনও সার্কুলার জারি করা প্রশাসনের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।”
ডিরেক্টর আরও জানান, প্রশাসন বিষয়টি জানতে পারার পরই হস্তক্ষেপ করেছে। তিনি স্পষ্ট করে জানান “এখানে এমন বৈষম্যের কোনও জায়গা নেই। আইআইটি খড়্গপুরে আমরা প্রগতিশীল সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাই।”
প্রসঙ্গত, গত ১৬ অগস্ট বি.আর. আম্বেদকর হলের মেস সেক্রেটারি নীলাঞ্জন পাল এক ইমেলে লেখেন, “নিরামিষাশীদের খাওয়ার টেবিলে ডিম, মাছ, চিকেন খাওয়া হচ্ছে। এতে মেসের নিয়ম ভঙ্গ হচ্ছে, অন্যদের খাবারের পছন্দের প্রতি অসম্মান দেখানো হচ্ছে।” ওই ইমেল ভাইরাল হতেই বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিতর্ক থামাতে ৭ সেপ্টেম্বর হল ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান সব ওয়ার্ডেনদের উদ্দেশে নোটিস দেন। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়, “মেসে ভেজ, নন ভেজ, জৈন বা অন্য ক্যাটাগরি আলাদা করা যেতে পারে শুধু রান্না ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে। আসন বিভাজন কোনওভাবেই অনুমোদিত নয়।”
তবে ইনস্টিটিউটের এক সূত্র জানায়, ভেজ টেবিল বহু বছর ধরেই প্রতিটি মেসে ছিল। ছবি ভাইরাল হওয়ার পর সেগুলোর ‘ভেজ অনলি’ সাইনবোর্ড সরানো হয়েছে। বেশিরভাগ ছাত্র এ নিয়ে মাথা ঘামায় না, সবাই মিলেমিশেই খায়।
সূত্র আরও দাবি করে, কয়েক সপ্তাহ আগে এক ছাত্র অভিযোগ করেছিলেন যে পনিরের পদে চিকেনের হাড় পাওয়া গেছে। সেই অভিযোগ থেকেই সম্ভবত মেস সেক্রেটারির ই-মেলের সূত্রপাত।