মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া নাগাড়ে বৃষ্টিতে দুই শহরেই জনজীবন বিপর্যস্ত। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, গোটা সপ্তাহ জুড়ে মুম্বইয়ে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। শহর ও লাগোয়া জেলাগুলিতে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 23 July 2025 13:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতা শহর যখন প্যাচপেচে গরমে ঘামে ভিজছে, তখন ভয়ঙ্কর বৃষ্টিতে বেকাবু রাজধানী দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকা এবং দেশের বাণিজ্যনগরী মুম্বই। মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া নাগাড়ে বৃষ্টিতে দুই শহরেই জনজীবন বিপর্যস্ত। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, গোটা সপ্তাহ জুড়ে মুম্বইয়ে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। শহর ও লাগোয়া জেলাগুলিতে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সোম ও মঙ্গলবার মিলিয়ে সান্তাক্রুজ এলাকায় ১০৮ মিমি বৃষ্টিপাত হয়েছে। অন্যদিকে, রাজধানী দিল্লি, নয়ডা, এনসিআর এলাকাতেও বহু পাড়া জলমগ্ন হয়ে পড়ে।
বুধবার সকাল থেকে বৃষ্টিতে দিল্লির যানগতি একেবারে কমে আসে। ফলে বহু জায়গায় সিগন্যালে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় যাত্রীদের। মুম্বইয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় গড়ে ৫০ মিমির বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিতে উত্তাল হয়ে রয়েছে আরব সাগরও। পুরসভার তরফে বাসিন্দাদের প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ ৪.৪০ মিটার পর্যন্ত ঢেউ ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃষ্টিতে বহু রাস্তা জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। আন্ধেরি সাবওয়েতে প্রায় দেড় ফুট জল জমে থাকায় তা বন্ধ রাখতে হয়েছে পুরসভাকে। ফলে সব গাড়ি অন্য রাস্তা দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভারী বৃষ্টির জেরে বেশ কিছু বাড়ি ও দেওয়াল ১০ সেকেন্ডে ধসে পড়ে। যদিও তাতে কেউ হতাহত হননি। ঘটনার পর আশপাশের বাড়ির লোকজনদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। মঙ্গলবার থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত মালাবার হিল এলাকায় ১০২ মিমি বৃষ্টিপাত হয়েছে।
📍 West विनोद नगर, दिल्ली
आज सुबह हुई बारिश के बाद पश्चिमी विनोद नगर इलाके की सड़क (NH 24) पूरी तरह जलमग्न हो गई है।
CM @gupta_rekha जी, कहाँ है आपकी प्रॉपर प्लानिंग? जलभराव को लेकर आपने मीडिया में बड़ी-बड़ी डींगे हांकी थीं लेकिन आज पूरी दिल्ली डूबी हुई है और आप अपने मायामहल… pic.twitter.com/Dxtx4C2oUZ
— AAP (@AamAadmiParty) July 23, 2025
দিল্লিবাসীর এদিন সকালই হয়েছে বৃষ্টির মুখ দেখে। বহু জায়গা ও নিচু এলাকায় হাঁটু পর্যন্ত জল জমে গিয়েছে। দক্ষিণ দিল্লি, আইটিও এবং মেহরৌলি-গুরুগ্রাম রোডে দীর্ঘ যানজট দেখা দেয় অফিস টাইমে। ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় ভারী বৃষ্টি হলেও বিমান চলাচলে কোনও প্রভাব পড়েনি। রাজধানীর বন্যা উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে হরিয়ানা। কারণ হাতিকুণ্ড বাঁধ থেকে ৫০,০০০ কিউসেক জল ছেড়েছে। ফলে যমুনা নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছে। কর্তৃপক্ষ জলস্তরের উপর নজর রাখলেও হরিয়ানা থেকে আরও জল ছাড়া হলে ফের গতবছরের মতো যমুনা সংলগ্ন এলাকা ভেসে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।