জিএসটি কমলেও (GST Cut) বাজারে দাম না কমলে (Overcharged) অভিযোগ জানানোর নিয়ম জানুন। হেল্পলাইনে কল বা অনলাইনে সহজেই অভিযোগ জমা দিন।

জিএসটি কমেছে, দাম কমেনি!
শেষ আপডেট: 24 September 2025 11:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও গৃহস্থালি সামগ্রীর উপর জিএসটি হার কমিয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পান। কিন্তু বাস্তবে বহু ক্রেতা অভিযোগ করছেন, দাম একই রকম রয়েছে।দোকান হোক বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম— জিএসটি কমার কোনও প্রভাব তাঁরা খুঁজে পাননি।
এই নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে জনমানসে। কাগজে-কলমে ট্যাক্স কমলেও বাজারে পণ্য কেনার সময় ভোক্তাদের পকেট হালকা হচ্ছে সমানভাবেই। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, কম ট্যাক্সের সুবিধা শেষ পর্যন্ত ক্রেতার কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না।
এই অবস্থায় সরকার নিজেই নড়েচড়ে বসেছে। স্পষ্ট জানানো হয়েছে, গ্রাহক-ক্রেতারা যেন চুপ করে না থাকেন। যদি কেউ মনে করেন তাঁকে অতিরিক্ত দাম দিতে হয়েছে, তবে সহজেই অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ন্যাশনাল কনজিউমার হেল্পলাইন (NCH)-এর মাধ্যমে ভোক্তারা সরাসরি অভিযোগ করতে পারবেন।
হেল্পলাইনের নাম্বার: ১৯১৫
এছাড়া অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ, ই-মেইল বা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেও অভিযোগ জমা দেওয়া যাবে।
ভোক্তাদের সুবিধার জন্য ১৭টি ভাষায় অভিযোগ জানানো সম্ভব।
প্রতি মাসে লক্ষাধিক অভিযোগ আসে সরকারের কাছে। এবার থেকে জিএসটি-সংক্রান্ত অভিযোগের জন্য আলাদা ক্যাটেগরি রাখা হয়েছে, যাতে সেগুলো দ্রুত এবং গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন—অভিযোগ করলে শুধু ব্যক্তিগতভাবে নিজের টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগই তৈরি হয় না, বরং এতে পুরো বাজারে একটা আলোড়ন তৈরি হয়। এতে স্পষ্ট বার্তা যায়, কর কমানো মানে কেবল সরকারি বিজ্ঞপ্তি নয়, সেটি সরাসরি গ্রাহকের পকেটে সুবিধা আনতে হবে।
সেন্ট্রাল বোর্ড অব ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস (CBIC) জানিয়েছে, প্রতিটি বৈধ অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে এবং দায়ী খুচরো বিক্রেতা বা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অতএব, আপনি যদি সাম্প্রতিক জিএসটি কমানোর পরও কম দাম না দেখে থাকেন, অভিযোগ জানানো আপনার অধিকার। দায়িত্বও।