বাংলাদেশের নির্বাচন (Bangladesh Election) ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশ চলছে। ইতিমধ্যেই প্রধান প্রতিপক্ষ জামাত ইসলামের ও বিএনপি (BNP) জোট নির্বাচন নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।

শেষ আপডেট: 21 January 2026 08:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশে কর্তব্যরত ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (Family members of Indian diplomats ordered to return home)। সে দেশে ভারতীয় কূটনৈতিক মিশন গুলিকে নো ফ্যামিলি পোস্টিং (No Family Posting) হিসেবে ঘোষণা করেছে বিদেশ মন্ত্রক। যত দ্রুত সম্ভব তাদের দেশে ফিরতে বলা হয়েছে। তবে ঢাকায় (Dhaka) দায়িত্বপ্রাপ্ত হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা সহ কূটনীতিকেরা আপাতত সে দেশে দায়িত্ব পালন করে যাবেন।
বাংলাদেশ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। সেই নির্বাচনের ২৪ দিন আগে নয়া দিল্লির বিদেশ মন্ত্রকের সিদ্ধান্ত ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে। দিল্লির তরফে সরাসরি এই সিদ্ধান্তের কোন ব্যাখ্যা না দেওয়া হলেও একাধিক সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় রেখে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক।
বাংলাদেশের নির্বাচন (Bangladesh Election) ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশ চলছে। ইতিমধ্যেই প্রধান প্রতিপক্ষ জামাত ইসলামের ও বিএনপি (BNP) জোট নির্বাচন নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। তবে জামাত ও তাদের জোর শরিকদের তরফেই জোরালো অভিযোগ করা হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের (Yunus) সঙ্গে দেখা করার পর জাতীয় নাগরিক পার্টি ইঙ্গিত করেছে তারা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নাও নিতে পারে। অন্যদিকে জামাতের বক্তব্য অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি এখনো দেশে তৈরি হয়নি।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করেছিলেন বিএনপি নেতারাও। তারাও গুচ্ছ অভিযোগ করেছেন নির্বাচন নিয়ে। যদিও এনসিপি এবং জামাতের সঙ্গে বিএনপির অভিযোগের ফারাক হলো তারা সরাসরি নির্বাচন কমিশনকে কোনরকম দোষারোপ করেনি। বরং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচন কমিশন কে সার্টিফিকেট দিয়েছেন।
কিন্তু সমস্যা অন্যত্র। নিরাপত্তা সংস্থাগুলি জানাচ্ছে ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই হিংসার সম্ভাবনা বাড়ছে। দেশটিতে হামলা, হত্যার ঘটনা অব্যাহত। ভোটের আগে ভারত বিরোধিতা চরমে উঠবে বলে নানা মহলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত মাসে ইসলামিক ঐক্য মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের (Osman Hadi Murder Case) পর ভারত বিরোধিতার সুর চড়িয়েছেন বাংলাদেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল। মনে করা হচ্ছে নয়া দিল্লি সেই কারণেই কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের আগে ভাগে বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নিচ্ছে। ঢাকা ছাড়াও সে দেশে খুলনা চট্টগ্রাম রাজশাহী এবং সিলেটে সহকারী হাইকমিশনারের অফিস রয়েছে।