Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

দেশে চরম দারিদ্র্যসীমার হার ২৭.১ শতাংশ থেকে কমে হল ৫.৩ শতাংশ: বিশ্বব্যাঙ্ক

২০১১-১২ সালে দেশে চরম দরিদ্রের সংখ্যা ছিল ৩৪ কোটি ৪৪ লক্ষ ৭০ হাজার।

দেশে চরম দারিদ্র্যসীমার হার ২৭.১ শতাংশ থেকে কমে হল ৫.৩ শতাংশ: বিশ্বব্যাঙ্ক

প্রতীকী ছবি।

শেষ আপডেট: 7 June 2025 15:20

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে চরম দারিদ্র্যসীমার হার গত ১০ বছরে ২৭.১ শতাংশ থেকে কমে ৫.৩ শতাংশ হল। বিশ্বব্যাঙ্কের সর্বশেষ তথ্য বলছে, ২০১১-১২ সালে দেশে চরম দারিদ্যসীমা ছিল ২৭.১ শতাংশ। ২০২২-২৩ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫.৩ শতাংশ। ২০১১-১২ সালে দেশে চরম দরিদ্রের সংখ্যা ছিল ৩৪ কোটি ৪৪ লক্ষ ৭০ হাজার। সেখানে ২০২২-২৩ সালে দেশে চরম দারিদ্র্যসীমার মধ্যে এসেছে ৭ কোটি ৫২ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষ।

বিশ্বব্যাঙ্কের তথ্য বলছে, গত ১১ বছরে ২৬ কোটি ৯০ লক্ষ মানুষকে দারিদ্রসীমার উপরে আনা সম্ভব হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও মধ্যপ্রদেশেই ২০১১-১২ সালে দেশের ৬৫ শতাংশ চরম দরিদ্রের বাস ছিল। ২০২২-২৩ সালে এই রাজ্যগুলিই দারিদ্রসীমা কমানোর ক্ষেত্রে দুই-তৃতীয়াংশ ভাগ নিয়েছে।

বিশ্বব্যাঙ্ক এই তথ্য হাজির করেছে দিনপ্রতি ৩ ডলার আয়ের হিসাব ধরে। ২০২১ সালের মূল্য সূচক ধরে আন্তর্জাতিক দারিদ্র্যসীমা নিরূপণ করা হয়েছে, দিনে যারা ৩ ডলার বা তার কম রোজগার করে তাদের ধরে। এতে দেখা যাচ্ছে, দেশের গ্রামীণ ও শহর এলাকা দুক্ষেত্রেই প্রভাব পড়েছে। ২০১৭ সালের মূল্য সূচক ধরে দিনপ্রতি খরচের পরিমাণ আগে ছিল ২.১৫ ডলার। সেই গ্রাফ ধরলে ভারতের দরিদ্র সংখ্যা ১৬.২ শতাংশ থেকে নেমে ২.৩ শতাংশে পৌঁছেছে।

তথ্য বলছে, গ্রামীণ ও নগর এলাকায় সমানভাবে দারিদ্র্যসীমা কমেছে। গত ১১ বছরে গ্রামীণ এলাকায় ১৮.৪ শতাংশ থেকে কমে ২.৮ শতাংশ এবং শহর এলাকায় ১০.৭ শতাংশ থেকে কমে ১.১ শতাংশে এসে ঠেকেছে। সর্বোপরি বহুমাত্রিক দারিদ্যসীমাতেও (Multidimensional Poverty Index) উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটেছে দেশের। বহুমাত্রিক দারিদ্র্য শুধুমাত্র আর্থিক অনটন নয়, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং জীবনযাত্রার মান সহ সবমিলিয়ে একটি দারিদ্র্য সূচক।

Multidimensional Poverty Index ((MPI) ২০০৫-০৬ সালে ছিল ৫৩.৮ শতাংশ। ২০১৯-২১ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৬.৪। ২০২২-২৩ সালে তা আরও কমে হয়েছে ১৫.৫ শতাংশ। 


```