হরিয়ানা সরকার ও চণ্ডীগড় প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছে ৩১ সদস্যের কমিটি।

গ্রাফিক্স - দিব্যেন্দু দাস
শেষ আপডেট: 13 October 2025 13:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চণ্ডীগড়ে আত্মঘাতী আইপিএস অফিসার (Haryana IPS suicide case) ওয়াই পূর্ণ কুমারের (Y Puran Kumar death) পরিবারের ন্যায়বিচারের দাবিতে গঠিত ৩১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাজ্য পুলিশপ্রধান শত্রুজিৎ কাপুরকে (Haryana DGP Shatrujeet Kapur) পদচ্যুত করার জন্য হরিয়ানা সরকার ও চণ্ডীগড় প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছে সেই কমিটি।
২০০১ ব্যাচের অফিসার পূর্ণ কুমার ৭ অক্টোবর চণ্ডীগড়ের সেক্টর ১১-র বাড়িতে নিজের সার্ভিস রিভলভার দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ।
রবিবার গুরু রবিদাস ভবনে আয়োজিত মহাপঞ্চায়েতে কমিটি জানায়, “হরিয়ানা ডিজিপি ও প্রাক্তন রোহতক এসপিকে এই মামলায় গ্রেফতার করতে হবে। আমরা সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার সময় দিয়েছি, এরপর পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে।”
এদিকে, মৃত্যুর ছ’দিন পরও ময়নাতদন্ত নিয়ে অচলাবস্থা কাটেনি। অফিসারের পরিবার এখনও পোস্টমর্টেম ও অন্ত্যেষ্টিতে সম্মতি দেয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়াত অফিসারের স্ত্রী, সিনিয়র আইএএস অফিসার অমনীত পি কুমারকে রাজি করানোর চেষ্টা চলছে।
পূর্ণ কুমারের শেষ নোটে আটজন সিনিয়র পুলিশ অফিসারের নাম উল্লেখ রয়েছে — তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রোহতকের এসপি নরেন্দ্র বিজর্ণিয়া ও হরিয়ানার ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (ডিজিপি) শত্রুজিৎ কাপুর।
নোটে তিনি অভিযোগ করেছেন, “আমার বিরুদ্ধে জাতিগত বৈষম্য, মানসিক হয়রানি ও জনসমক্ষে অপমানের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।”
অমনীত পি কুমার চণ্ডীগড়ের এসএসপি কানওরদীপ কউরকে চিঠি লিখে কাপুর ও বিজর্ণিয়ার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের দাবি জানান।
প্রসঙ্গত, হরিয়ানার রোহতক জেলার পুলিশ সুপার নরেন্দ্র বিজর্নিয়াকে ইতিমধ্যেই পদ থেকে সরিয়েছে রাজ্য সরকার। নতুন এসপি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন আইপিএস অফিসার সুরিন্দর সিং ভোরিয়া।