বুধবার এই রায় দিয়েছে দিল্লি হাই কোর্ট (Delhi High Court)। একটি জনস্বার্থের মামলায় আদালত বলেছে, সরকার কোনও বিশেষ কারণে কারাগারেই তাদের দেহ কবর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এখন আদালতের পক্ষে বলা সম্ভব নেয় কবর সরিয়ে দিতে পারে। এই সিদ্ধান্ত একমাত্র উপযুক্ত কর্তৃপক্ষই নিতে পারে।

শেষ আপডেট: 24 September 2025 15:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাশ্মীরের দুই বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গি নেতা আফজল গুরু এবং মকবুল ভাটের (two separatist leader Afzal Guru and Maqbool Bhat) কবর তিহাড় জেলেই (Tihar jail) থাকবে। সেখান থেকে সরানোর নির্দেশ দিতে পারে না আদালত। বুধবার এই রায় দিয়েছে দিল্লি হাই কোর্ট (Delhi High Court)। একটি জনস্বার্থের মামলায় আদালত বলেছে, সরকার কোনও বিশেষ কারণে কারাগারেই তাদের দেহ কবর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এখন আদালতের পক্ষে বলা সম্ভব নেয় কবর সরিয়ে দিতে পারে। এই সিদ্ধান্ত একমাত্র উপযুক্ত কর্তৃপক্ষই নিতে পারে।
প্রসঙ্গত, এইক্ষেত্রে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ হল ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। আফজল গুরু এবং মকবুল ভাটকে সংশ্লিষ্ট মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। দু'জনকে তিহাড়ে ফাঁসি দেওয়ার পর কারাগারেই দেহ কবর দেওয়া হয়। পরিবারের হাতে দেহ হস্তান্তর করা হয়নি। সংসদ হামলায় প্রধান অভিযুক্ত আফজল গুরুর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় ২০১৩ সালে। মকবুল ভাটকে ফাঁসি দেওয়া হয় ১৯৮৪ সালে। দু'জনের ফাঁসির পর যথাক্রমে এক ও চার দশক পেরিয়ে গেছে। এতদিন পর কেন তাঁর কবর কারাগার চত্বর থেকে সরানোর দাবি উঠেছে?
আদালত সূত্রের খবর, বিশ্ব বৈদিক সংস্থান সঙ্ঘ নামে একটি প্রতিষ্ঠান জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে বলে, দুই সন্ত্রাসবাদী, বিচ্ছিন্নতাবাদীর কবর কারাগারে থাকায় তিহাড় জেল জঙ্গিদের তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে৷ কারাগারে এমন ব্যক্তিদের কবর থাকার অর্থ ভারতের স্বাধীনতা, অখণ্ডতাকে অমর্যাদা করা। প্রতিষ্ঠানটি আদালতের কাছে প্রস্তাব দেয় দুই জঙ্গি নেতার কবর অজ্ঞাত কোনও স্থানে সরানো হোক যেখানে সাধারণ মানুষ পৌঁছাতে পারবে না। কেন দুই বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গি নেতার দেহ কারাগারে কবর দেওয়া হয়েছিল? সরকারি সূত্রের খবর, তাঁদের কবরস্থানকে পবিত্র তীর্থক্ষেত্র করে তোলা হতে পারে আশঙ্কায় ফাঁসি কার্যকর করার পর কারাগারেই কবর দেওয়া হয়।