১৯৮৯ সালেই দেশছাড়ার আদেশ জারি হয়েছিল। কিন্তু তাঁদের দাবি, ভারতীয় নাগরিকত্ব এখনও বহাল, কাশ্মীরের পৈতৃক সম্পত্তির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 12 September 2025 20:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার ৩৫ বছরের পুরনো এক আইনি লড়াইয়ের অবসান (35 years of legal battle
)। পাকিস্তানি এক দম্পতিকে (Pakistani Couple) দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিল জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ হাইকোর্ট (Jammu Kashmir High Court)। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ওই দম্পতি তথ্য গোপন করে দীর্ঘদিন ভারতে বসবাস করেছেন।
মামলাটি ছিল ৮০ বছরের মহম্মদ খলিল কাজি ও তাঁর স্ত্রী আরিফাকে নিয়ে। খলিলের জন্ম ১৯৪৫ সালে শ্রীনগরে হলেও শৈশবে তিনি পাকিস্তানে চলে যান। ১৯৮৮ সালে দু’জন পাকিস্তানি পাসপোর্ট নিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন এবং সেখানেই থেকে যান।
দু’জনের বিরুদ্ধে ১৯৮৯ সালেই দেশছাড়ার আদেশ জারি হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা দাবি করেন, খলিলের ভারতীয় নাগরিকত্ব এখনও বহাল এবং কাশ্মীরে তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। এই যুক্তিতে তাঁরা মামলা চালিয়ে যান।
প্রধান বিচারপতি অরুণ পল্লী ও বিচারপতি রাজনেশ ওসওয়ালের বেঞ্চ শুক্রবার সেই মামলার রায়ে জানায়, তথ্য গোপন করে থাকার চেষ্টা করেছিলেন কাজি দম্পতি। ১৭ পৃষ্ঠার রায়ে আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এখন তাঁদের দেশ ছাড়তে হবে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এ বছরের এপ্রিলে পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর কেন্দ্র পাকিস্তানি নাগরিকদের জন্য ভিসা পরিষেবা স্থগিত করে এবং তাঁদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভারত ত্যাগের নির্দেশ দেয়। ২৭ এপ্রিলের সময়সীমা পেরোনোর পর বহু পাকিস্তানি নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।
এর মধ্যে কাশ্মীরে দীর্ঘদিন ধরে স্বামীদের সঙ্গে বসবাসকারী বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি মহিলা ছিলেন, যাঁদেরকেও পাকিস্তানে ফেরত পাঠায় কর্তৃপক্ষ।