দিল্লি বিস্ফোরণের (Delhi Blast) সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ধৃত এই দু'জন। আত্মঘাতী বোমারু উমর উন নবির সঙ্গে নিয়মিত ফোনে কথা হত তাঁদের। উমরের কল ডিটেইলস মিলিয়েই তাঁদের খোঁজ পাওয়া গেছে।
.jpg.webp)
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 29 November 2025 21:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লির লালকেল্লার কাছে আত্মঘাতী বিস্ফোরণের (Delhi Red Fort Blast) তদন্তে উত্তরাখণ্ড পৌঁছেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)। শনিবার দিল্লি ও উত্তরাখণ্ড পুলিশের সহযোগিতায় হলদোয়ানির বনভুলপুরা এলাকা থেকে বিলালি মসজিদের ইমাম মহম্মদ আসিফ ও তার সহযোগী ইলেকট্রিশিয়ান নজর কামালকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সূত্রে খবর, দিল্লি বিস্ফোরণের (Delhi Blast) সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ধৃত এই দু'জন। আত্মঘাতী বোমারু উমর উন নবির (Umar un Nabi) সঙ্গে নিয়মিত ফোনে কথা হত তাঁদের। উমরের কল ডিটেইলস মিলিয়েই তাঁদের খোঁজ পাওয়া গেছে। ধৃত দু'জনকে ইতিমধ্যেই দিল্লি নিয়ে আসা হয়েছে।
শুক্রবার মধ্যরাতে এনআইএ-এর (NIA) দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে। অভিযান চলাকালীন সময় বনভুলপুরা থেকে শুরু করে লালকুয়ান, কালাধুঙ্গি, হলদোয়ানি, মুখানি ও কাঠগোদাম এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী পৌঁছয়। বিলালি মসজিদ ও ইমামের বাড়ির চারপাশ ঘিরে দেওয়া হয় পুলিশি পাহারায়।
এছাড়া, এনআইএ ও উত্তরাখণ্ড পুলিশের একটি দল নৈনিতালের একটি মসজিদে গিয়ে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এই অভিযান থেকে আশা করা হচ্ছে বিস্ফোরণের পেছনের আরও তথ্য উদঘাটন হবে।
গত ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার (Delhi Red Fort Blast) কাছে পার্কিংয়ে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয় এবং আহতের সংখ্যাও ছিল প্রচুর। বিস্ফোরণটি দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। তদন্তভার দেওয়া হয় এনআইএ-কে।
তদন্তের মাধ্যমে একে একে হোয়াইট কলার মডিউল জঙ্গিদের (White Collar Terror Module) কার্যকলাপ সামনে আসে। উমর, শাহিন, মুজাম্মিল- চরমপন্থার সঙ্গে যুক্ত এই চিকিৎসকদের সরাসরি যোগ পাওয়া যায় দিল্লিকাণ্ডে।
ডিএনএ রিপোর্টে প্রমাণ হয়েছে, উমর উন নবি হামলার সময় গাড়িতে ছিলেন। তদন্তে আরও জানা যায়, আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা অনেকদিন ধরেই ছিল। ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ই ছিল তাঁদের ঘাঁটি।
এদিকে, লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের (Delhi Red Fort Blast) তদন্তে শনিবার পাটিয়ালা হাউস কোর্টের নির্দেশে মূল অভিযুক্ত ডা: মুজাম্মিল শাকিল গনাই, ডা: আদিল আহমেদ রাধার, ডা: শাহিন সইদ ও মুফতো ইরফান আহমদ ওয়াগেকে ১০ দিনের বিচারবিভাগীয় (10-day judicial custody) হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।