Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রে

Air Pollution: বাজির ধোঁয়ায় ঢাকল দিল্লির আকাশ! বহু এলাকা এখন 'রেড জোন', কেমন আছে কলকাতা?

দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দিল্লির ৩৮টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যে ৩৪টি কেন্দ্রেই বাতাসের মান ছিল ‘রেড জোনে’- অর্থাৎ ‘খুবই খারাপ’ থেকে ‘অত্যন্ত গুরুতর’ পর্যায়ে।

Air Pollution: বাজির ধোঁয়ায় ঢাকল দিল্লির আকাশ! বহু এলাকা এখন 'রেড জোন', কেমন আছে কলকাতা?

প্রতীকী ছবি

অর্পিতা দাশগুপ্ত

শেষ আপডেট: 21 October 2025 07:57

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দীপাবলিতে দিল্লির আকাশ ঢেকে গেল ঘন ধোঁয়ায়। রাজধানীর বাতাসে দূষণের (Air Pollution in Delhi) মাত্রা সোমবার পৌঁছে যায় ভয়ঙ্কর পর্যায়ে। দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দিল্লির ৩৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৪টি কেন্দ্রেই বাতাসের মান ছিল ‘রেড জোনে’- অর্থাৎ ‘খুবই খারাপ’ থেকে ‘অত্যন্ত গুরুতর’ পর্যায়ে।

সেন্ট্রাল পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ডের (CPCB) হিসেব বলছে, সোমবার বিকেল ৪টেয় দিল্লির গড় 'এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স' (AQI) ছিল ৩৪৫, যা রবিবারের ৩২৬ থেকে বেশি। এই মানকে ‘Verry Poor’ বা খুব খারাপ শ্রেণিতে ফেলা হয়।

CPCB–র SAMEER অ্যাপের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর দ্বারকা (417), অশোক বিহার (404), ওয়াজিপুর (423) এবং আনন্দ বিহার (404) এলাকায় বায়ুদূষণ বা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এছাড়া প্রায় ৩০টি কেন্দ্রেই AQI ছিল ৩০০-র বেশি, অর্থাৎ ‘খুব খারাপ’ শ্রেণিতে।

দুপুরের দিকে দেখা যায়, ৩৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩১টিতেই বাতাসের মান খুব খারাপ এবং বাকি ৩টিতে ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মঙ্গলবার ও বুধবার পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে এবং বাতাসের মান ‘ভয়াবহ' পর্যায়ে নেমে যেতে পারে।

CPCB–র মানদণ্ড অনুযায়ী, AQI ০-৫০ ভালো, ৫১-১০০ সন্তোষজনক, ১০১-২০০ মাঝারি, ২০১-৩০০ খারাপ, ৩০১-৪০০ খুব খারাপ, এবং ৪০১-৫০০ ভয়াবহ হিসেবে গণ্য হয়। দিল্লির দূষণে পরিবহন খাতের ভূমিকা ছিল প্রায় ১৫.৬ শতাংশ, আর শিল্প, নির্মাণসহ অন্যান্য উৎস থেকে এসেছে প্রায় ২৩.৩ শতাংশ দূষণ।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ১৫ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট দিল্লির এনসিআর অঞ্চলে সবুজ বাজি (Green Crackers) বিক্রি ও ফাটানোর অনুমতি দিয়েছিল। তবে শর্ত ছিল, অনুমতি বহাল থাকবে সকাল ৬টা থেকে ৭টা এবং রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত। তবু, দীপাবলির রাতে বাজির শব্দ ও ধোঁয়া রাজধানীর বাতাসকে আরও ঘন ও ভারী করে তুলেছে।

অন্যদিকে, কলকাতার অবস্থাও খুব একটা ভাল নয়। হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে এবারে কালীপুজোয় রাজ্যে রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্তই পরিবেশবান্ধব সবুজ বাজি ফাটানোর অনুমতি ছিল। স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছিল, শব্দবাজি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু বাস্তবে সেই নির্দেশ অনেক জায়গাতেই মানা হয়নি। রাত বাড়তেই কলকাতার আকাশে শুরু হয় শব্দবাজির তাণ্ডব।

রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে শহরের একাধিক এলাকায় বাজির বিকট আওয়াজ শোনা যায়। সল্টলেক, বেলগাছিয়া, গড়িয়া, নিউটাউন, টালিগঞ্জ, বিভিন্ন এলাকা থেকে শব্দবাজি ফাটানোর অভিযোগ ওঠে। অনেক জায়গায় পুলিশি নজরদারি থাকা সত্ত্বেও বাজি ফাটানো হয়েছে।

দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের কন্ট্রোল রুমে সোমবার রাত সাড়ে ন’টা পর্যন্ত প্রায় ১৭টি অভিযোগ জমা পড়ে, যার প্রায় সবই বাজি সংক্রান্ত। বিশেষজ্ঞদের মতে, শব্দবাজির পাশাপাশি বাতাসে ধোঁয়া ও বারুদের গন্ধ শহরের পরিবেশকে ভারী করে তুলেছে।

তথ্য বলছে, রাত ৯টার সময় বালিগঞ্জে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI) ছিল ৮৫, বিধাননগরে ৭৭, ফোর্ট উইলিয়ামে ৭৩, যাদবপুরে ১০৬ এবং ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের কাছে ১৪০। কিন্তু রাত ১১টা নাগাদ সেই সংখ্যাগুলি আরও বেড়ে যায়. বালিগঞ্জে AQI পৌঁছয় ১০৪, বিধাননগরে ৯৮, ফোর্ট উইলিয়ামে ৭৬, যাদবপুরে ১২৪, আর ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল সংলগ্ন এলাকায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৫৩।

পরিবেশপ্রেমীদের কথায়, এবার আদালতের নির্দেশ মেনে বাজি কম ফাটানোর প্রবণতা কিছুটা দেখা গেলেও, এখনও অনেক মানুষ সচেতন হননি। তাঁরা বলছেন, 'বাজি ফাটানোর আনন্দ কয়েক ঘণ্টার, কিন্তু তার প্রভাব থাকে বহুদিন।'


```