দেশের শীর্ষ বিচারপতি বলেন, বিহারে যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁরা তো কেউ আপত্তি জানাননি। সেই রাজ্যে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে ভোটও হয়ে গিয়েছে।
_2.jpeg.webp)
এদিন শুনানিতে আবেদনকারীদের পক্ষের কৌঁসুলি বিশিষ্ট আইনজীবী কপিল সিবালের সঙ্গে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর জোর সওয়াল-জবাব চলে।
শেষ আপডেট: 26 November 2025 17:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নির্বাচন কমিশনের বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বুধবার সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বিহারের প্রসঙ্গ টেনে আনলেন। দেশের শীর্ষ বিচারপতি বলেন, বিহারে যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁরা তো কেউ আপত্তি জানাননি। সেই রাজ্যে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে ভোটও হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, নাম বাদ দেওয়া নিয়ে ব্যক্তিগত আপত্তি তুলে আদালতের দ্বারস্থ হননি।
এদিন শুনানিতে আবেদনকারীদের পক্ষের কৌঁসুলি বিশিষ্ট আইনজীবী কপিল সিবালের সঙ্গে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর জোর সওয়াল-জবাব চলে। প্রধান বিচারপতি দৃষ্টান্ত টেনে বলেন, একই সন্দেহ পোষণ করা হয়েছিল বিহারের ক্ষেত্রেও। কিন্তু সেখানে ভোট হয়ে গিয়েছে। এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে প্রায় কোনও আপত্তি ওঠেনি।
বিচারপতি বাগচী বলেন, নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ণাঙ্গ সংশোধনের। তার ফলে ভোটার তালিকা অনেক নাম বাদ গিয়েছে। কিন্তু, এই তালিকা থেকে বাদ পড়া নিয়ে বাস্তবিক কোনও প্রভাব পড়েনি অথবা আপত্তিরও কোনও প্রমাণ নেই। প্রধান বিচারপতি মৌখিকভাবে বলেন, আদালত সেই সব নাম বাদ পড়া ব্যক্তিদের দেখতে চায়। কিন্তু, কেউ আপত্তি নিয়ে আদালতের কাছে আসেননি।
কেরল ও পশ্চিমবঙ্গের হয়ে সওয়াল করা আইনজীবী সিবাল এর আগে বলেন, বিএলও কখনই আমার নাগরিকত্ব ঠিক করে দিতে পারেন না। আমি দেশের নাগরিক কি নাগরিক নই, তা ঠিক করতে পারে ভারত সরকার। তার জবাবে সিজেআই বলেন, এসআইআর-এ আপিল করারও প্রক্রিয়া রয়েছে। বিচারপতি বাগচী যুক্তি তুলে কপিল সিবালকে বলেন, আপনি কি নির্বাচন কমিশনকে জড়ভরত ডাকঘর ঠাউরেছেন। যারা না দেখেশুনেই প্রতিটি নতুন ভোটারের ফর্মে স্ট্যাম্প লাগিয়ে দেবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের সেই সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে, যারা সবসময় প্রাপ্ত নথি বিচার করে দেখতে পারে। তা সে এনুমারেশন ফর্ম বা ফর্ম ৬ যাই হোক না কেন। সিবালকে তিনি স্পষ্ট বলেন, নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা রয়েছে যে তারা জনপ্রতিনিধিত্ব আইনানুসারে তালিকা সংশোধন করতে পারে। তাদের যদি মনে হয়, ভোটার তালিকার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ আছে তাহলে তারা আইনবলেই তা করতে পারে।