নয়াদিল্লিতে ৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনের (UNESCO) অধিবেশন।
.jpeg.webp)
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এদিনই এক এক্সবার্তায় এই খবরের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
শেষ আপডেট: 10 December 2025 14:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তকমা পেল দেওয়ালি। নয়াদিল্লিতে ৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনের (UNESCO) অধিবেশন। অবিস্মরণীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (Intangible Cultural Heritage) রক্ষার এই অধিবেশনে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি রয়েছেন। সেই অধিবেশনেই এবার দেওয়ালিকে অত্যন্ত সম্মানজনকে এই মুকুট পরিয়ে দেওয়া হল।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এদিনই এক এক্সবার্তায় এই খবরের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশ ও বিদেশের মানুষ এই খবর জানতে পেরে খুব আনন্দিত হবেন। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত বলেন, এই উৎসব ‘তমসো মা জ্যোতির্গময়ঃ’ মন্ত্রেরই অনুরণন। অর্থাৎ অন্ধকার থেকে আলোয় উৎসারিত হওয়া। যা আশা, নবজীবন ও সম্প্রীতির প্রতীক।
মোদী বলেছেন, আমাদের কাছে দীপাবলি দেশের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের সঙ্গে অন্তরঙ্গভাবে জড়িত। আমাদের সভ্যতার আত্মা। উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সঠিক পথের দিশার নাম দীপাবলি। এই উৎসবকে হেরিটেজের তকমা দেওয়ায় তা বিশ্বের মানুষের কাছে আরও জনপ্রিয় হবে। সব শেষে লিখেছেন, প্রভু রামের আদর্শ আমাদের চিরকাল পথ দেখাক।
People in India and around the world are thrilled.
For us, Deepavali is very closely linked to our culture and ethos. It is the soul of our civilisation. It personifies illumination and righteousness. The addition of Deepavali to the UNESCO Intangible Heritage List will… https://t.co/JxKEDsv8fT
— Narendra Modi (@narendramodi) December 10, 2025
দেওয়ালির মনোনয়ন পরীক্ষার পর বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ইউনেস্কোর কালচারাল হেরিটেজের মুকুট উঠল দেওয়ালির মাথায়। এখনও পর্যন্ত ভারতের দুর্গাপুজো, গরবা, কুম্ভমেলা এবং যোগ ইউনেস্কোর এই তালিকায় স্থান পেয়েছে। উল্লেখ্য, ইউনেস্কোর এই অধিবেশন প্রথমবার ভারতে হচ্ছে।
৬ দিনের এই অধিবেশন হল সপ্তদশ শতকের মোগল জমানার ঐতিহ্যশালী লালকেল্লার অভ্যন্তরে। এই অধিবেশনের কার্যসূচিতে ছিল, ঐতিহ্যশালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় দেশগুলি কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করে চলেছে। পৃথিবীর এই ধরনের সংস্কৃতির প্রাচীন প্রচুর ধারকবাহক স্থাপত্য, শিল্প ও স্থানীয় পরম্পরা বাঁচিয়ে রাখতে আন্তর্জাতিক অর্থ সাহায্য বা তহবিল গঠন। এবং এই কাজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।
১৮০টি দেশের হাজারের বেশি প্রতিনিধি এই অধিবেশনে ছিলেন। এছাড়া কমিটির সদস্যরা, ইউনেস্কোর কর্তাব্যক্তিরা, বিশেষজ্ঞ, স্বীকৃত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলির গণমান্য ব্যক্তিরা। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত বলেন, এ ধরনের সাম্মানিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পেরে, ইউনেস্কোর সঙ্গে এদেশের সম্পর্ক মজবুত হবে। তিনি আরও বলেন, এর মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রভাব আরও জোরাল হয়ে উঠবে। সাংস্কৃতিক কূটনীতি বৃদ্ধি পাবে। এই ধরনের সম্মেলনের মাধ্যমে মৈত্রীর কূটনীতি গভীর হবে। আমরা সব দেশের সামনে এদেশের ঐতিহ্য, পরম্পরা ও পর্যটন শিল্পকে তুলে ধরতে আগ্রহী।