কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশিকাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। জানান, শুধুমাত্র নজরদারিই এখন যথেষ্ট, আলাদা করে কোনও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন নেই।

ছবিটি প্রতীকী
শেষ আপডেট: 25 May 2025 11:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল একজনের। কেরলের পর এবার বেঙ্গালুরু। ৮৪ বছর বয়সি ওই বৃদ্ধর কোভিড পজিটিভ আসে পরীক্ষায়। তবে, শরীরে একাধিক অন্যান্য রোগ ছিল বলে জানা গেছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তে সেখানকার স্বাস্থ্য দফতর আতঙ্কিত না হওয়ার বার্তা দিয়েছে।
স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই বৃদ্ধের শরীরে একাধিক জটিল রোগ ছিল। তাঁকে ১৩ মে বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ড এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৭ মে মৃত্যু হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর করোনা টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং শনিবার সেই রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।
কর্নাটকে এখনও পর্যন্ত মোট ৩৮জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। যার মধ্যে বেঙ্গালুরুতেই রয়েছে ৩২টি কেস।
শনিবার এনিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী দিনেশ গুন্ডু রাও সকলে উদ্দেশে বলেন, মানুষকে আমি অনুরোধ করব, দয়া করে আতঙ্কিত হবেন না। সংবাদমাধ্যমে যেভাবে দেখানো হচ্ছে যে করোনা আবার ফিরে এসেছে, তা দেখে অনেকেই দুশ্চিন্তায় পড়ছেন। মিডিয়ার কাছে আমি অনুরোধ করব, সঠিক তথ্য তুলে ধরুন। বিষয়টিকে বাড়িয়ে দেখাবেন না। পরিস্থিতি বর্তমানে বাড়াবাড়ি পর্যায় নয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকার পুরোপুরি সতর্ক রয়েছে এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশিকাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। জানান, শুধুমাত্র নজরদারিই এখন যথেষ্ট, আলাদা করে কোনও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন নেই।
এছাড়া প্রতিবেশী রাজ্য কেরলে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা কিছুটা বেড়ে যাওয়ার বিষয় দিনেশ রাও বলেন, 'সেখানে পরীক্ষার পরিমাণ বেড়েছে বলেই হয়তো সংক্রমণ ধরা পড়ছে বেশি। এতে খুব একটা চিন্তার কিছু নেই। করোনার কারণে এখন কোনও রকম নিষেধাজ্ঞা জারি হয়নি। দেশজুড়ে যাতায়াতে কোনও বাধা নেই। মানুষ স্বাভাবিকভাবে জীবন যাপন করতে পারবেন।'
সংক্রমণ বৃদ্ধির পেছনে করোনা ভাইরাসের নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। সম্ভবত এটি ওমিক্রন JN.1 এর কোনও সাব-ভ্যারিয়েন্ট হতে পারে, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ যেমন সিঙ্গাপুর, হংকং, মালয়েশিয়ায় দেখা গিয়েছে। তবে সেসব দেশেও কোনও রকম আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।
কেরলে প্রায় ২০০-র কাছাকাছি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। সংক্রমণ ছড়িয়েছে রাজধানীতেও। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, বাংলায় আক্রান্ত ৩ জন।