Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
সরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র

আটকাচ্ছে না মৃত্যু মিছিল, সিরাপ খেয়ে ফের প্রাণ গেল এক শিশুর, সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫

সিরাপ খেয়ে ফের মৃত্যু এক শিশুর, মধ্যপ্রদেশের ছিন্দওয়াড়ায় সংখ্যা বেড়ে ১৫।

আটকাচ্ছে না মৃত্যু মিছিল, সিরাপ খেয়ে ফের প্রাণ গেল এক শিশুর, সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫

প্রতীকী ছবি

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 7 October 2025 16:57

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মধ্যপ্রদেশের ছিন্দওয়ারায় ফের এক শিশুর মৃত্যু হল ‘কোলড্রিফ’ সিরাপ খেয়ে। কিডনি বিকল হয়ে যাওয়ায় ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে হাসপাতালে ভর্তি ছিল সে। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েও শেষ রক্ষা হল না। এর ফলে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫।

মৃতের নাম ধ্বনি দেহরিয়া, বয়স মাত্র দেড় বছর। ছিন্দওয়ারার তামিয়া এলাকার জুনাপানি গ্রামের বাসিন্দা ছিল। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শিশুটির দুই কিডনিই পুরোপুরি অকেজো হয়ে গেছিল। ধ্বনির প্রাথমিক চিকিৎসা করেছিলেন ডা. প্রবীন সোনি। তিনিই শিশুটিকে ওই কাফ সিরাপটি দেন। এই চিকিৎসক বর্তমানে পুলিশের জালে।

এদিকে মধ্যপ্রদেশে একের পর এক শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে তোলপাড়। এবার পাঞ্জাব সরকার রাজ্যজুড়ে 'কোলড্রিফ' কফ সিরাপের বিক্রি, বণ্টন ও ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করেছে। ওই রাজ্যের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, 'পাঞ্জাবের কোনও খুচরো বিক্রেতা, ওষুধ সরবরাহকারী, চিকিৎসক, হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান এই ওষুধটি ক্রয়, বিক্রয় বা ব্যবহার করতে পারবে না।' একইসঙ্গে নজরদারি জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে এই নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে মানা হয়।

এর আগে গোয়া, গুরুগ্রাম, কর্নাটক, ঝাড়খণ্ড এবং মহারাষ্ট্রেও কোলড্রিফ সিরাপের বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। কেরলে স্বাস্থ্য দফতর নির্দেশ দিয়েছে, ১২ বছরের কম বয়সি শিশুদের কোনও ওষুধ চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া দেওয়া যাবে না।

তামিলনাড়ুর ড্রাগ কন্ট্রোল ডিপার্টমেন্টের তদন্তে উঠে এসেছে আরও ভয়ঙ্কর তথ্য। কোলড্রিফ সিরাপ তৈরির ওই সংস্থার কারখানায় ৩৫০টিরও বেশি নিয়ম ভঙ্গ করেছে। তদন্তে নেমে দেখা যায়, কারখানার পরিবেশ ছিল অস্বাস্থ্যকর ও অত্যন্ত নোংরা। দক্ষ কর্মীর অভাব, অপর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি ও অপরিষ্কার সরঞ্জামের মধ্যে তৈরি হচ্ছিল ওই সিরাপ।

পরীক্ষায় ধরা পড়েছে সিরাপের মধ্যে ক্ষতিকর দুটি রাসায়নিক, প্রোপিলিন গ্লাইকোল এবং ডাই-ইথিলিন গ্লাইকোল। প্রোপিলিন গ্লাইকোল অল্প পরিমাণে ওষুধ, খাদ্য ও প্রসাধনীতে ব্যবহারযোগ্য হলেও, বেশি পরিমাণে তা মারাত্মক ক্ষতিকর। আরও উদ্বেগের বিষয়, সংস্থাটি ৫০ কিলোগ্রাম প্রোপিলিন গ্লাইকোল কোনও বৈধ ইনভয়েস ছাড়াই কিনেছিল, যা আইনবিরুদ্ধ। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, খরচ বাঁচাতে সংস্থা হয়তো এর পরিবর্তে ডাই-ইথিলিন গ্লাইকোল ব্যবহার করেছে, যা শিল্পজাত দ্রব্য যেমন ব্রেক ফ্লুইড ও পেইন্ট তৈরিতে ব্যবহার হয়, কিন্তু মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে তা বিষের মতো কাজ করে।

এই রাসায়নিকই অতীতে বহু বিষক্রিয়া ও শিশুমৃত্যুর ঘটনার জন্য দায়ী।


```