Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহের

৬ কোটির ব্রিজ ব্যবহার করা যাচ্ছে না, চার বছরেও সংযোগকারী রাস্তা পেল না বিহারের এই গ্রাম

পশন্ত ব্রিজ দূর থেকে দেখতে ঠিক যেন সরকারের অন্য কোনও উন্নয়ন প্রকল্পের মতোই- দৃঢ় কাঠামোর। উদ্দেশ্য ছিল বন্যাপ্রবণ কয়েকটি গ্রামের যোগাযোগব্যবস্থা সহজ করা। 

৬ কোটির ব্রিজ ব্যবহার করা যাচ্ছে না, চার বছরেও সংযোগকারী রাস্তা পেল না বিহারের এই গ্রাম

কেন্দ্রীয় প্রকল্পে তৈরি বিহারের এই ব্রিজ

অর্পিতা দাশগুপ্ত

শেষ আপডেট: 9 October 2025 12:29

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহারের কাটিহার জেলার দণ্ডখোঁড়া ব্লকের পশন্ত ব্রিজ (Bihar's Pasanta Bridge) আজ এক অদ্ভুত উদাহরণ- প্রায় চার বছর আগে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা (PMGSY)-র আওতায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রিজটি তৈরি হলেও এখনও সেটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কারণ, ব্রিজের সঙ্গে স্থানীয় রাস্তার সংযোগ স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় রাস্তাটিই এখনও পর্যন্ত তৈরি হয়নি।

পশন্ত ব্রিজ দূর থেকে দেখতে ঠিক যেন সরকারের অন্য কোনও উন্নয়ন প্রকল্পের মতোই- দৃঢ় কাঠামোর। উদ্দেশ্য ছিল বন্যাপ্রবণ কয়েকটি গ্রামের যোগাযোগব্যবস্থা সহজ করা। কিন্তু বাস্তবে, সেতুর এক প্রান্তে কোনো রাস্তা নেই, বরং শুধু চাষের জমি আর এক কোণে দাঁড়িয়ে আছে একটি পিলার, যার ভিত রয়েছে বেসরকারি জমির ওপর (Bihar's 6 Cr Pasanta Bridge remains unused)।

এই সেতু তৈরি হওয়ার কথা ছিল প্রায় ১০ থেকে ১২টি গ্রামের বাসিন্দাদের জেলা সদর কাটিহারে যাতায়াত সহজ করার জন্য। বর্তমানে যাত্রাপথে যে দীর্ঘ ঘুরপথ পাড়ি দিতে হয়, তা এই সেতু চালু হলে অনেকটাই কমে যেত।

প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল ২০২০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর। ঠিকাদারদের ২০২১ সালের ২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয়দের বক্তব্য, সেতুর মূল কাঠামো তৈরির কাজ অনেক আগেই শেষ হয়েছে। কিন্তু সেতুর সংযোগ রাস্তা এবং বিশেষ করে সেই পিলারটি, যেটি ওই বেসরকারি জমির ওপর তৈরি হওয়ার কথা ছিল, তা আজও হয়নি। কারণ, জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণই হয়নি।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রকল্পের বিস্তারিত প্রতিবেদন (DPR) তৈরি হয়েছিল জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন না করেই। সেই ভুল সিদ্ধান্তের ফলেই আজ এই সেতু অকেজো হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সরকারি খরচায় তৈরি হলেও কোনও কার্যকারিতা নেই, একেবারে হোয়াইট এলিফ্যান্টের মতো দাঁড়িয়ে আছে মাঠের মাঝে।

এই বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কাটিহারের জেলা প্রশাসক মনীশ মীনা স্বীকার করেন যে সমস্যা রয়েছে। তিনি জানান, বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের নির্দেশ দেবেন। গ্রামবাসীদের এখন একটাই প্রশ্ন—যে সেতুর জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে, সেটি যদি মানুষ ব্যবহারই করতে না পারে, তবে উন্নয়নের প্রকৃত অর্থ কোথায়?


```