শীর্ষ আদালতে একটি আবেদনে বলা হয়, গত ১ অগস্ট তালিকা সংশোধনের পর যে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়, তাতে ছাঁটাই হওয়া ব্যক্তিদের সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা নেই। এ বিষয়ে সর্বোচ্চ আদালতকে কমিশনকে নির্দেশ দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত, উজ্জ্বল ভুঁইঞা এবং এনকে সিংয়ের বেঞ্চে আবেদনটি উত্থাপন করা হয়।
শেষ আপডেট: 6 August 2025 15:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহারের খসড়া তালিকা থেকে ৬৫ লক্ষ ভোটার বাদ গেলেও নির্বাচন কমিশন তাঁদের নামের কোনও তালিকা প্রকাশ করেনি। এই মর্মে বুধবার এক আবেদনের ভিত্তিতে কমিশনের জবাব তলব করল সুপ্রিম কোর্ট। এদিন সকালে শীর্ষ আদালতে একটি আবেদনে বলা হয়, গত ১ অগস্ট তালিকা সংশোধনের পর যে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়, তাতে ছাঁটাই হওয়া ব্যক্তিদের সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা নেই। এ বিষয়ে সর্বোচ্চ আদালতকে কমিশনকে নির্দেশ দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত, উজ্জ্বল ভুঁইঞা এবং এনকে সিংয়ের বেঞ্চে আবেদনটি উত্থাপন করা হয়। অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মসের তরফে প্রবীণ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ সকালে আর্জি জমা দেন। সঙ্গে সঙ্গে আদালত এই আর্জির বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য জানতে চায়।
ভূষণ আবেদনে বলেন, খসড়া তালিকা বলছে ৬৫ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। কিন্তু, সেই ৬৫ লক্ষ নামের কোনও তালিকা দেওয়া হয়নি। এবং কমিশন বলেছে, এর মধ্যে ৩২ লক্ষ মানুষ রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছেন, এর বেশি কোনও ব্যাখ্যা নেই। যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁদের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের দাবি করেন তিনি। বলেন, কারা রাজ্য ছেড়ে গিয়েছেন এবং কারা মারা গিয়েছেন? যে খসড়ার কথা বলা হচ্ছে, তা মাত্র দুটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য। কিন্তু অন্য এলাকার চিত্রটা কী?
বিচারপতি কান্ত তখন বলেন, স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর মেনে নির্বাচন কমিশনকে সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিকে এই তথ্য দেওয়া উচিত। কমিশনের তরফে জবাবে বলা হয়, তারা দলগুলিকে এই তথ্য দিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট তখন বলে, এ বিষয়ে আদালতে লিখিত জবাব দিতে হবে।
বিচারপতি কান্ত কমিশনের কৌঁসুলিকে বলেন, যে দলগুলিকে এই তালিকা দেওয়া হয়েছে, তাদের নাম বলা হোক। এই বলে মামলার শুনানি আগামী ১২ অগস্ট ফেলেছে আদালত। তার মধ্যে কমিশনকে জবাব দিতে হবে। কমিশনের কৌঁসুলিকে আদালত আরও বলেছে, কী প্রকাশ করা হয়েছে এবং কী প্রকাশ করা হয়নি তা আমরাও যাতে দেখতে পারি তাই শনিবারের মধ্যে জবাব দিতে হবে।