হোসাবলের দাবি, কংগ্রেস একবার নয় তিনবার সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার চক্রান্ত ফেঁদেছিল।

প্রতীকী ছবি।
শেষ আপডেট: 1 November 2025 17:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘকে নিষিদ্ধ করার দাবির বিতর্কের মাঝেই মুখ খুললেন আরএসএসের সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে। শনিবার তিনি প্রথম প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আরএসএসকে নিষিদ্ধ করার চক্রান্ত নতুন কিছু নয়। আগেও বেশ কয়েকবার হয়েছে। কিন্তু তা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। হোসাবলের দাবি, কংগ্রেস একবার নয় তিনবার সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার চক্রান্ত ফেঁদেছিল। প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছে। জনসমর্থন ও আদালতের নির্দেশে সঙ্ঘ প্রতিবার আরও শক্তিশালী হয়েছে।
তিনি বলেন, কংগ্রেস সরকার যতবার চক্রান্ত করেছে, প্রতিবারই মানুষের সমর্থন এবং আদালতের নির্দেশে ওদের পিছিয়ে যেতে হয়েছে। আর তারপর সঙ্ঘ আরও মজবুত হয়েছে। সঙ্ঘকে নিষিদ্ধ করার দাবি কেন, এই প্রশ্ন তুলে নিজেই জবাব দিয়েছেন হোসাবলে। এই প্রশ্ন উঠছে যে, কেন নিষিদ্ধ করা হবে সঙ্ঘকে? এটা কি কোনও ব্যক্তির নিজের ইচ্ছে, নাকি অন্য কোনও কারণ আছে?
সঙ্ঘের কর্মপদ্ধতি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, আমরা চিরকাল দেশ ও জাতিগঠনের কাজ করে চলেছি নিরন্তরভাবে। আমাদের প্রয়াস সমাজকে আরও মজবুত করা। ইতিহাসে প্রমাণ আছে, আরএসএসকে নিষিদ্ধ করার চক্রান্ত কোনওদিন সফল হয়নি। দরকার হলে ওরা আবার চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী সঙ্ঘ বেঁচে রয়েছে মানুষের মনে। সমাজ একে গ্রহণ করেছে। আর এখন সরকারও আমাদের গুরুত্ব স্বীকার করে। ওদের ইতিহাসের কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত।
প্রসঙ্গত, আরএসএসকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি উঠে এসেছে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। এক সরকারি কর্মী সঙ্ঘের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গ উত্থাপন করে খাড়্গে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫০-তম জন্মবার্ষিকীতে বলেছিলেন, সর্দার প্যাটেলও একসময় সঙ্ঘকে নিষিদ্ধ করেছিলেন। গান্ধী হত্যার পর দেশের গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামো অক্ষুণ্ণ রাখতে প্যাটেলকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল।
খাড়্গে বলেন, প্যাটেলই বলেছিলেন যে, কোনও সরকারি কর্মী আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন না। সঙ্ঘ ও জামাত-ই-ইসলামির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সরকারি চাকরি করা যাবে না সাফ বলেছিলেন প্যাটেল। যা মোদী সরকার ২০২৪ সালের ৯ জুলাই থেকে তুলে দিয়েছে। আমরা দাবি তুলছি, সেটা আবার কার্যকর করা হোক।