দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় পেরিয়ে গিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়ার ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার। আমদাবাদে ঘটেছিল এই মর্মান্তিক ঘটনা। বোয়িং ৭৮৭ মডেলের বিমানটি ভেঙে পড়ে, প্রাণ যায় ২৪২ জন যাত্রীর মধ্যে ২৪১ জনের।

এয়ার ইন্ডিয়ার ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা
শেষ আপডেট: 2 July 2025 11:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় পেরিয়ে গিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়ার ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার। আমদাবাদে ঘটেছিল এই মর্মান্তিক ঘটনা। বোয়িং ৭৮৭ মডেলের বিমানটি ভেঙে পড়ে, প্রাণ যায় ২৪২ জন যাত্রীর মধ্যে ২৪১ জনের। এখন তদন্তকারীরা মনে করছেন, বিমানের দুটি ইঞ্জিন হয়তো একসঙ্গে কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছিল। ফলে আকাশে ভেসে থাকতে পারেনি বিমানটি।
কীভাবে সামনে এল এই তথ্য?
পাইলটরা ফ্লাইট সিমুলেটরে দুর্ঘটনার পরিস্থিতি আবার তৈরি করে দেখেন। সেখানে দেখা গিয়েছে, শুধুই ল্যান্ডিং গিয়ার খোলা ছিল বা ফ্ল্যাপ ঠিকঠাক না থাকার জন্য বিমান ভেঙে পড়েনি। এর মানে আরও কিছু বড় ত্রুটি হয়েছিল। এর আগেই তদন্তে উঠে এসেছিল, বিমান মাটিতে পড়ার কিছু সেকেন্ড আগে জরুরি পাওয়ার টারবাইন (RAT) চালু হয়ে গিয়েছিল। এটা সাধারণত তখনই হয়, যখন বিমানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
হাইড্রলিক বা বিদ্যুৎ বিভ্রাট?
বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ার আংশিকভাবে গুটিয়ে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দরজা খোলেনি। এতে বোঝা যাচ্ছে, বিমানে হয়তো বিদ্যুৎ বা হাইড্রলিক সিস্টেমে সমস্যা হয়েছিল। সেই ব্যবস্থাগুলো চালায় ইঞ্জিনই। বোয়িং ৭৮৭ বিমানে থাকে জেনারেল ইলেকট্রিকের তৈরি দুটি ইঞ্জিন। সেগুলো FADEC নামের কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে চলে। এই সিস্টেম ইঞ্জিনের শক্তি ঠিক রাখে।
মাত্র ১৫ সেকেন্ডে শেষ!
জানা গিয়েছে, বিমান যখন উড়েছিল, তখন কিছুই অস্বাভাবিক ছিল না। কিন্তু উড্ডয়নের একটু পরেই পাইলটরা মায়ডে সঙ্কেত পাঠান। এর মাত্র ১৫ সেকেন্ড পরেই ভেঙে পড়ে বিমানটি। তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো (AAIB)। তাঁদের সঙ্গে রয়েছে বোয়িং ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারী সংস্থা NTSB। বিমানের ব্ল্যাকবক্স ও ভয়েস রেকর্ডার থেকে তথ্য বিশ্লেষণ চলছে।