এই সিদ্ধান্তে সমস্যায় পড়েছেন ইজরায়েলে থাকা ৪০ হাজারেরও বেশি ভারতীয়। ব্যক্তিগত বা পেশাগত কারণে দেশে ফিরতে চাইছেন অনেকেই, আবার কেউ কেউ নিরাপত্তার কারণে এলাকা ছাড়তে চান।

শেষ আপডেট: 5 April 2026 23:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির (Iran war impact) জেরে বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় বিমানসংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া (Air India)। সংস্থাটি ৩১ মে পর্যন্ত ইজরায়েলগামী সমস্ত ফ্লাইট স্থগিত রাখার ঘোষণা করেছে (Air India Israel flights suspended Till May 31)।
এয়ার ইন্ডিয়ার এক শীর্ষ আধিকারিক এক সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছেন, নয়াদিল্লি-তেল আবিব রুটে পরিষেবা আপাতত বন্ধ রাখা হচ্ছে (Tel Aviv flight suspension India)।
শুধু এয়ার ইন্ডিয়াই নয়, অধিকাংশ আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাই তেল আবিব রুটে পরিষেবা বন্ধ রেখেছে। বর্তমানে সীমিত পরিসরে পরিষেবা চালাচ্ছে শুধুমাত্র ইজরায়েলের কয়েকটি এয়ারলাইন - এল আল, ইসরাএয়ার, আর্কিয়া এবং এয়ার হাইফা - তাও কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে।
এই সিদ্ধান্তে সমস্যায় পড়েছেন ইজরায়েলে থাকা ৪০ হাজারেরও বেশি ভারতীয়। ব্যক্তিগত বা পেশাগত কারণে দেশে ফিরতে চাইছেন অনেকেই, আবার কেউ কেউ নিরাপত্তার কারণে এলাকা ছাড়তে চান।
বর্তমানে ইজরায়েল ছাড়তে চাইলে ভারতীয়দের জর্ডান বা মিশরের সীমান্ত পেরিয়ে স্থলপথে বেরোতে হচ্ছে। এরপর সেখান থেকে বিমানপথে ভারতে ফিরতে হচ্ছে।
তেল আভিভের ভারতীয় দূতাবাস পরিস্থিতির উপর নজর রেখে ভারতীয়দের সহায়তা করছে। শুধু তাই নয়, দূতাবাস ২৪ ঘণ্টার জরুরি হেল্পলাইন চালু করেছে এবং একটি বড় রেজিস্ট্রেশন অভিযানের মাধ্যমে যাত্রীদের তথ্য সংগ্রহ করছে। ভারতের রাষ্ট্রদূত জে পি সিং ও দূতাবাসের দল ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে ইজরায়েলের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা ভারতীয় কর্মী ও ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
১ জানুয়ারি থেকে নতুন করে শুরু হয়েছিল দিল্লি-তেল আবিব সরাসরি ফ্লাইট পরিষেবা, যেখানে সপ্তাহে চারটি ফ্লাইট চলত বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ব্যবহার করে। তবে ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে ইরানের পাল্টা আঘাতে সংঘাত গোটা উপসাগরীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীতে প্রভাব পড়েছে, যা জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায়ও বড় ধাক্কা দিয়েছে।