Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

'মারলি কেন? এখন আন্ডারগ্রাউন্ড হয়ে যা', আমদাবাদের স্কুলের ঘটনায় ভাইরাল অভিযুক্তর মেসেজ

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিযুক্ত ছাত্র এক বন্ধুকে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে নিজের দোষ স্বীকার করে। সেই মেসেজ প্রকাশ্যে এসেছে।

'মারলি কেন? এখন আন্ডারগ্রাউন্ড হয়ে যা', আমদাবাদের স্কুলের ঘটনায় ভাইরাল অভিযুক্তর মেসেজ

ফাইল ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 21 August 2025 14:08

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমদাবাদের বেসরকারি স্কুলে (Gujarat School Incident) দশম শ্রেণির এক ছাত্রকে কুপিয়ে খুন করেছে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। এই ঘটনায় এমনিতেই তোলপাড় রাজ্য। এবার অভিযুক্তর একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট (Whatsapp Chat) ভাইরাল হয়েছে। যেখানে তাঁকে খুনের অভিযোগ স্বীকার করতে দেখা যায়। শুধু তাই নয়, অন্য এক সহপাঠী তাকে কী পরামর্শ দিচ্ছে, সেটাও স্পষ্ট।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিযুক্ত ছাত্র এক বন্ধুকে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে নিজের দোষ স্বীকার করে। সেই মেসেজ প্রকাশ্যে এসেছে। চ্যাটে দেখা যায়, বন্ধুর প্রশ্নের উত্তরে অভিযুক্ত স্পষ্ট বলে - “হ্যাঁ, আমি করেছি। আমাকে প্রশ্ন করছিল, কে আমি, কী করতে পারব, তাই...।''  অন্য বন্ধু বলে - ''মারতে পারতিস, তবে মেরে ফেলা ঠিক হয়নি।'' জবাবে অভিযুক্ত কেবল বলে, “যা হওয়ার হয়ে গেছে।'' শেষে বন্ধু পরামর্শ দেয়, কিছু দিন আড়ালে থাকতে আর তৎক্ষণাৎ চ্যাট মুছে ফেলতে।

ইতিমধ্যে জানা গেছে, ওই দুই ছাত্রের মধ্যে প্রথমে তর্কাতর্কি, তা থেকে পরে হাতাহাতি শুরু হয়। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, আর সেই সময় অষ্টম শ্রেণির ছাত্রটি সহপাঠীকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপায়। রক্তাক্ত অবস্থায় আহত ছাত্রকে দ্রুত একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চেষ্টা করেও চিকিৎসকরা প্রাণ বাঁচাতে পারেননি, চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় দশম শ্রেণির ওই কিশোরের।

ঘটনার পরদিন সকাল থেকেই মৃত ছাত্রের পরিবারের সদস্য, স্থানীয় বাসিন্দারা এবং অভিভাবকরা স্কুল ঘিরে বিক্ষোভে সামিল হন। পুলিশের দাবি, পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। শেষ পর্যন্ত বাহিনী নামিয়ে ভেতর থেকে সবাইকে সরানো হয়।

তবে বাইরে গিয়েও বিক্ষোভ থামেনি। স্কুলের সামনে রাস্তায় বসে পড়ে ভিড়। পথ অবরোধ করে স্লোগান তোলা হয় পুলিশের বিরুদ্ধে, প্রশাসনের জবাবদিহি দাবি করে।


```