পর্যটকের ছদ্মবেশে অপরাধ ঠেকাতে আরও কঠোর হচ্ছে সরকার। সোহরার পর্যটন কেন্দ্রে মধ্যপ্রদেশের ব্যবসায়ী খুনের পর রাজ্যের নাগরিক নিরাপত্তা আইন ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেঘালয়ের রাজ্যমন্ত্রিসভা।

মেঘালয়ে কড়া হচ্ছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা
শেষ আপডেট: 13 June 2025 19:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হানিমুনে গিয়ে স্বামীকে খুনের ঘটনার পর এবার নড়েচড়ে বসল মেঘালয় প্রশাসন (Meghalaya Government)। পর্যটকের ছদ্মবেশে অপরাধ ঠেকাতে আরও কঠোর হচ্ছে সরকার। সোহরার পর্যটন কেন্দ্রে মধ্যপ্রদেশের (Honeymoon Murder) ব্যবসায়ী খুনের পর রাজ্যের নাগরিক নিরাপত্তা আইন (MRSSA, 2016) ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেঘালয়ের রাজ্যমন্ত্রিসভা। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা (Conrad Sangma) জানান, আইনে নানা ফাঁক থেকে যাচ্ছে, যার সুযোগ নিচ্ছে অপরাধীরা। সেই ফাঁক বন্ধ করতেই এই পদক্ষেপ।
সাংমা আরও জানিয়েছেন, "আমরা রাজ্যের নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছি। পর্যটন বজায় রাখার পাশাপাশি অপরাধীদের যাতে কোনওভাবেই ঢুকতে না দেওয়া হয়, সেটাই এখন অগ্রাধিকার।"
মন্ত্রী পল লিংডো জানান, “আমরা চাই, মেঘালয় নিরাপদ থাকুক— নাগরিকদের জন্যও এবং প্রকৃত পর্যটকদের জন্যও। কিন্তু যাঁরা পর্যটনের নামে অন্য উদ্দেশ্যে আসছেন, তাঁদের ঠেকাতে আমাদের এই উদ্যোগ।”
আইএলপি নিয়ে কী বলল সরকার?
অনেক দিন ধরেই মেঘালয়ে ইনার লাইন পারমিট (ILP) চালুর দাবি উঠছে। সে বিষয়ে এক প্রশ্নে পল বলেন, "রাজ্য বিধানসভা ইতিমধ্যেই প্রস্তাব পাস করেছে। বিষয়টি এখন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিচারাধীন। ওরা কিছু প্রশ্ন তুলেছে, যার উত্তর আমরা দিচ্ছি।"
কেন্দ্রের আশঙ্কা, মেঘালয় হয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের আরও রাজ্যে যাতায়াত হয়। তাই আইএলপি চালুর ফলে সেই যাতায়াতে বাধা আসতে পারে!
কী বলছে বর্তমান আইন?
তবে বাস্তবে এই আইন পুরোপুরি প্রয়োগ হয়নি বলেই স্বীকারোক্তি সরকারের। এবার সেই আইনকেই আরও কার্যকর ও আধুনিক করার পথে হাঁটছে তারা।