রাজস্থানের ভিলওয়ারা জেলায় জঙ্গল থেকে উদ্ধার হল মাত্র ১৫ দিনের শিশু। মুখে পাথর ঢুকিয়ে আঠা দিয়ে সিল করা ছিল। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক শিশুকে ত্যাগের ঘটনা চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 24 September 2025 09:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজস্থানের ভিলওয়ারায় উদ্ধার সদ্যোজাত। বয়স আনুমানিক ১৫ দিন। যেভাবে শিশুটি পড়েছিল, তা দেখে তাজ্জব উদ্ধারকারীরা। দেখা গিয়েছে, শিশুটির মুখে জোর করে পাথর ঢুকিয়ে আঠা দিয়ে সিল করে দেওয়া হয়েছিল, যাতে কান্নার আওয়াজ বাইরে না আসে।
মঙ্গলবার ভিলওয়ারার মাণ্ডলগড় এলাকার সীতাকুণ্ড মন্দিরের কাছে গরু চরাতে গিয়ে এক নাবালক শিশুটিকে দেখতে পায়। পাথরের স্তূপের পাশে পড়েছিল। কাছে যেতেই তার চোখে পড়ে, শিশুটির মুখে রয়েছে পাথর এবং আঠা দিয়ে সেটি আটকে দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গেই সে চিৎকার করে স্থানীয়দের খবর দেয়। গ্রামবাসীরা এসে শিশুর মুখ থেকে পাথর সরিয়ে, হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে বিজোলিয়ার সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে নবজাতকটি।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুর মুখ ও উরুতে আঠার দাগ মিলেছে। তবে আপাতত চিকিৎসার জন্য তাকে রাখা হয়েছে পর্যবেক্ষণে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে পুলিশ। কে বা কারা এমন নৃশংস কাজ করল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নবজাতককে এমনভাবে ফেলে দেওয়ার ঘটনা বিরল নয়। একাধিক ঘটনা সম্প্রতি সামনে এসেছে। ঠিক গত সপ্তাহেই উত্তরপ্রদেশের ভাদোহি জেলায় জাতীয় সড়ক ১৯-এর কাছে একটি ফাঁকা ঘর থেকে উদ্ধার হয় ১০ মাসের শিশুর দেহ। পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছিল। শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন মেলেনি।
অন্যদিকে, চলতি মাসের ৬ তারিখ ঝাড়খণ্ডের জামতাড়ায় নর্দমা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল এক সদ্যোজাতকে। শিশুটির হাত ভাঙা ছিল। বর্তমানে ধানবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। জামতাড়ার এসপি রাজকুমার মেহতা জানান, শিশুটির শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ক্রমাগত এমন নৃশংস ঘটনায় শিউরে উঠছে সাধারণ মানুষ। সমাজে শিশুকন্যা ও নবজাতকদের উপর এই ধরনের নির্যাতনের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে প্রতিদিন।