৯ জন বায়ুসেনা অফিসার (Air warriors), যাঁদের মধ্যে রয়েছেন যুদ্ধবিমান চালক। পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সদর দফতর এবং পাকিস্তান সেনার গুরুত্বপূর্ণ জঙ্গিঘাঁটিতে আক্রমণ করেছিলেন, তাঁদের 'বীর চক্র' প্রদান করা হবে।

শেষ আপডেট: 14 August 2025 18:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'অপারেশন সিঁদুর'-এ (Operation Sindoor) অতুলনীয় ভূমিকা গ্রহণের জন্য দেশের সমস্ত জওয়ানদের সম্মান জানানো হবে। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে বড় ঘোষণা কেন্দ্রের। ৩৬ জন বায়ুসেনা অফিসারকে গ্যালান্ট্রি সম্মানে সম্মানিত করা হবে।
৯ জন বায়ুসেনা অফিসার (Air warriors), যাঁদের মধ্যে রয়েছেন যুদ্ধবিমান চালক। পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সদর দফতর এবং পাকিস্তান সেনার গুরুত্বপূর্ণ জঙ্গিঘাঁটিতে আক্রমণ করেছিলেন, তাঁদের 'বীর চক্র' প্রদান করা হবে। 'বীর চক্র' হল ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ যুদ্ধকালীন সাহসিকতার পদক।
একজনকে দেওয়া হবে 'শৌর্য চক্র'। এই পদকটি সেইসব সাহসী কর্মকাণ্ড বা আত্মত্যাগের জন্য দেওয়া হয়, যেখানে সরাসরি শত্রুর মুখোমুখি না হয়েও অসাধারণ সাহসিকতার পরিচয় মেলে। এটি অশোক চক্র ও কীর্তি চক্রের পরের সম্মান। বাকি ২৬ জনকে দেওয়া হবে 'বায়ু সেনা পদক'।
'বীর চক্র' প্রাপকদের মধ্যে রয়েছেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন আর এস সিধু, মনীশ অরোরা, অনিমেষ পাটনি এবং কুনাল কালরা। এছাড়াও, উইং কমান্ডার জয় চন্দ্র, স্কোয়াড্রন লিডার সার্থক কুমার, সিদ্ধান্ত সিং, রিজওয়ান মালিক এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট এ এস ঠাকুরও এই সম্মান পেয়েছেন। এতে বোঝা যায়, অপারেশন সিন্দুর সফল করতে কত বৈচিত্র্যময় ভূমিকা রাখা হয়েছিল।
এছাড়াও, স্বাধীনতা দিবসের আগে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য বাহিনীর মোট ১,০৯০ জন সদস্যকে বিভিন্ন পদক প্রদানের ঘোষণা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, ২৩৩ জন পাবেন সাহসিকতার পদক (Gallantry Medal), ৯৯ জনকে দেওয়া হবে রাষ্ট্রপতির বিশিষ্ট পরিষেবা পদক (President’s Distinguished Service Medal), আর ৭৫৮ জনকে মেধাবী পরিষেবা পদক (Meritorious Service Medal)। পদকপ্রাপকদের মধ্যে রয়েছেন অগ্নিনির্বাপক বাহিনী, হোমগার্ড, সিভিল ডিফেন্স এবং সংশোধনমূলক পরিষেবার সদস্যরাও।
পহেলগাম হামলার (Pahalgam Attack) পর 'অপারেশন সিঁদুর' অভিযান চালায় ভারতের তিন সামরিক বাহিনী। পাকিস্তানের ন'টি জঙ্গিঘাঁটিতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ১০০-র বেশি জঙ্গি নিহত হয়।
সূত্রের খবর, 'অপারেশন সিঁদুরে' প্রায় সাড়ে চার হাজার অগ্নিবীর অংশ নিয়েছিলেন। পাকিস্তানের সঙ্গে সাড়ে তিন দিনের সংঘর্ষে তাঁদের দক্ষতা ও সাহস দেখে সেনার শীর্ষ কর্তারা সন্তুষ্ট। তিন বাহিনী, সেনা, নৌ ও বায়ুসেনার পক্ষ থেকেই অগ্নিবীরদের প্রশংসা করা হয়েছে।
সরকারি সূত্র বলছে, তিন বাহিনীর প্রধানরা প্রতিরক্ষামন্ত্রকের কাছে প্রস্তাব রেখেছেন, যাতে বেশি সংখ্যক অগ্নিবীরকে স্থায়ী চাকরিতে নেওয়া হয়। পাশাপাশি, বর্তমানে কর্মরত অগ্নিবীরদের চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর কথাও বিবেচনায় রয়েছে।