
শেষ আপডেট: 1 November 2023 11:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হেমন্তের হিমেল হাওয়া জানান দিচ্ছে যে শীতকাল এসে গেল বলে। কিন্তু আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের আশপাশেই থাকবে। বরং বেলা বাড়লে গরমও বাড়বে। নভেম্বর মাস থেকেই সাধারণত শীত পড়ে বাংলায়। এবার কি শীতের শিরশিরানি কম হবে? ‘উষ্ণ’ শীতকাল দেখতে হবে বাংলাকে?
মৌসম ভবন আগেই জানিয়েছিল, নভেম্বর মাসে দেশের বেশিরভাগ অংশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকবে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দিয়ে মূলত শীতের তীব্রতা বোঝানো হয়। উত্তর-পশ্চিম ও মধ্য ভারত ছাড়া দেশের বাকি অংশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকবে। এর কারণ হিসেবে এল নিনোর দাপটকেই উল্লেখ করা হয়েছে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় উষ্ণ স্রোত এল নিনোর প্রভাব ভালরকমই পড়ে ঋতুচক্রে। ওলটপালট হয়ে যায় আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি। এবার তো ২০২৩ ও ২০২৪ সাল জুড়েই এল নিনোর দাপট থাকবে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। মৌসম ভবন জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন সক্রিয় থাকবে এল নিনো। এর জেরে তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন এ রাজ্যেও তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরেই থাকবে। হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে। উত্তুরে হাওয়া সক্রিয় হলে রাজ্যে শীত বাড়ে। উত্তর ভারতের দিক থেকে শুষ্ক শীতল হাওয়া এদিকে আসে। পশ্চিম হিমালয়ে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট থাকলেও উত্তুরে হাওয়া সক্রিয় হয়। তবে অনেক সময় উত্তরের হিমেল হাওয়া রাজ্যে ঢুকতে বাধা পায়। তখন শীতের তীব্রতা কম থাকে।
হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, এ বছর উত্তর ভারতে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে তুষারপাত শুরু হয়ে গেছে। তবে উত্তুরে হাওয়া এখনও রাজ্যের দিকে আসা শুরু হয়নি। কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জায়গায় তাপমাত্রা এখন স্বাভাবিকের আশপাশে রয়েছে। কাজেই এ রাজ্যে এবার শীত কতটা তীব্র হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে ঠান্ডা পড়া শুরু হতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।