Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

SSC: 'দাগি অযোগ্য প্রার্থীদের জন্য এত সহানুভূতি কেন?', হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে এসএসসি

শিক্ষক নিয়োগ মামলায় ফের কাঠগড়ায় স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। 

SSC: 'দাগি অযোগ্য প্রার্থীদের জন্য এত সহানুভূতি কেন?', হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে এসএসসি

ফাইল ছবি।

শেষ আপডেট: 9 July 2025 14:46

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শিক্ষক নিয়োগ মামলায় ফের কাঠগড়ায় স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। এবার সরাসরি প্রশ্নের মুখে কমিশনের ভূমিকা। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেন স্পষ্ট ভাষায় প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, “দাগি অযোগ্য প্রার্থীদের জন্য এত সহানুভূতি কেন এসএসসি-র?”

বিচারপতির এই মন্তব্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আদালত চত্বরে। শুনানিতে বিচারপতি বলেন, “এসএসসি যেন অযোগ্য প্রার্থীদের মুখপাত্র হয়ে উঠেছে। এই আচরণ কাম্য নয়। যাঁদের নাম আগেই বাতিল হয়েছে দুর্নীতির অভিযোগে, তাঁদের পক্ষে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিতে চাইছে কমিশন?”

আদালতের পর্যবেক্ষণ, আগে যাঁদের সুপারিশ বাতিল হয়েছে, তাঁদের পুনর্বহালের আর্জি নিয়েই সম্প্রতি কমিশন আবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। এই নিয়েই ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি। বলেন, “কমিশনের কাজ হল যোগ্যদের সুযোগ করে দেওয়া, অযোগ্যদের পক্ষে সওয়াল করা নয়।”

বিচারপতির আরও মন্তব্য, “এসএসসি কি ভুলে যাচ্ছে, আদালত স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর নজর রাখছে? দাগি প্রার্থীদের পক্ষে সহানুভূতি চলবে না।”

নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে গত এপ্রিলে ২০১৬ সালের আস্ত প্যানেল বাতিল করে সুপ্রিমকোর্ট। ফের স্বচ্ছ নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অযোগ্যদের আবেদন জমা নিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট আগেই জানিয়েছিল, চিহ্নিত অযোগ্যরা নতুন নিয়োগ পরীক্ষায় আবেদন করতে পারবে না। এবং যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদেরও আবেদন বাতিল করতে হবে। নিয়োগ হবে সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশ মেনেই। 

হাইকোর্টের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিল এসএসসি। এদিন আদালতে কমিশনের যুক্তি, কিছু প্রার্থীর ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত তথ্য ছিল না, তাই তাঁদের সুযোগ দেওয়া হোক। এরপরই কমিশনকে ভর্ৎসনা করেন বিচারপতি।


```