প্রশাসনের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, “নবান্ন থেকে সব জেলা প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথাও নদী উপচে জল ঢুকলে যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তার জন্য আগেভাগেই প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে।”

নিজস্ব চিত্র।
শেষ আপডেট: 9 July 2025 13:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: টানা বর্ষণে (HeavyRain) ফের প্লাবনের (FloodAlert) ছায়া দক্ষিণবঙ্গে (SouthBengal )। সোমবার থেকে একটানা বৃষ্টিতে কংসাবতী, দারকেশ্বর, গন্ধেশ্বরী, শিলাবতী, সুবর্ণরেখা-সহ একাধিক নদীর জলস্তর বেড়েই চলেছে। কোথাও কোথাও নদী উপচে এলাকায় ঢুকেছে জলও। আচমকা এই দুর্যোগ পরিস্থিতির জেরে উদ্বিগ্ন প্রশাসনও।
সবচেয়ে বেশি আশঙ্কা দুই মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, হাওড়া জেলার কিছু অংশ নিয়ে। ইতিমধ্যেই বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় একশো মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি রেকর্ড করেছে। জারি হয়েছে নতুন সতর্কতা।
আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পশ্চিমাঞ্চলের চার জেলায় আরও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে বন্যার আশঙ্কা আরও ঘনীভূত হচ্ছে। নদীগুলির জলস্তর ক্রমেই বিপদসীমার দিকে এগোচ্ছে।
প্রশাসনের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, “নবান্ন থেকে সব জেলা প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথাও নদী উপচে জল ঢুকলে যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তার জন্য আগেভাগেই প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে।”
বাঁকুড়ায় ইতিমধ্যেই জলমগ্ন হয়ে পড়েছে দারকেশ্বর নদের উপর মীনাপুর সেতু। ফলে সেতু দিয়ে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ। সমস্যা চরমে উঠেছে বাঁশি, আড়ালবাঁশির মতো গ্রামের বাসিন্দাদের। বিকল্প রাস্তা না থাকায় কার্যত ঘরবন্দি বহু মানুষ।
কংসাবতী জলাধারে জলের চাপ বাড়ছে। মুকুটমনিপুরে জল আসছে বিপুল হারে। প্রয়োজনে জলাধার থেকে আরও জল ছাড়তে হতে পারে। পরিস্থিতি বুঝে ডিভিসি থেকেও জল ছাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে নতুন করে প্লাবনের আশঙ্কা এড়ানো যাচ্ছে না।
পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়ার একাংশেও ধীরে ধীরে জল ঢুকতে শুরু করেছে। একটানা বর্ষণে জমেছে জল। পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছে প্রশাসন। জল ছাড়ার পরিস্থিতি তৈরি হলে আগাম সতর্কতা জারি করা হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রের খবর।