সকাল থেকে হাতে ফর্ম আর তালিকা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-রা। নতুন ভোটার যুক্ত করা, পুরনো তথ্য সংশোধন—সব মিলিয়ে চলছে প্রবল ব্যস্ততা।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 11 November 2025 21:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৪ নভেম্বর থেকেই রাজ্যজুড়ে (West Bengal) শুরু হয়েছে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ (SIR)। সকাল থেকে হাতে ফর্ম আর তালিকা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-রা। নতুন ভোটার যুক্ত করা, পুরনো তথ্য সংশোধন—সব মিলিয়ে চলছে প্রবল ব্যস্ততা।
কিন্তু ভোটারদের একাংশের মনে এখনও প্রশ্ন, এই এনুমারেশন ফর্ম বা গণনা ফর্ম আসলে কীভাবে পূরণ করতে হয়? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—২০০২ সালের ভোটার তালিকায় কারও নাম না থাকলে, রিলেটিভ (Relative) হিসেবে কার নাম দেওয়া যাবে?
কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, এই গণনা প্রক্রিয়া চলবে ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত। অর্থাৎ, একমাস ধরে ঘরে ঘরে গিয়ে বিএলও-রা ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করবেন। এই সময়ে পূরণ করা গণনা ফর্ম সই করে জমা করলেই খসড়া ভোটার তালিকায় নাম উঠবে। তবে এই পর্যায়ে কোনও নথি জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে জানানো হয়েছে।
এক বিএলও-র কথায়, “গণনা ফর্মের সময় কোনও ডকুমেন্ট লাগবে না। শুধু তথ্য পূরণ করলেই হবে। তবে নতুন ভোটার হলে ফর্ম-৬ পূরণ করতে হবে, সেখানে প্রমাণপত্র দিতে হবে।”
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিসিয়াল সোশ্যাল পোস্টেও বলা হয়েছে, “শুধুমাত্র খসড়া তালিকা প্রকাশের পর যদি নোটিস জারি হয়, তখনই প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে।”
তাহলে প্রশ্ন হল—রিলেটিভ হিসেবে কার নাম দেওয়া যাবে? কমিশন সূত্রের উত্তর একেবারে স্পষ্ট: শুধুমাত্র ব্লাড রিলেশন অর্থাৎ বাবা, মা, পিতামহ, মাতামহ। এর বাইরে অন্য কারও নাম দেওয়া যাবে না।
কমিশনের এক আধিকারিক বলেন, “বয়সের প্রমাণপত্রে যেমন বাবা বা মায়ের নাম থাকে, তেমনই ঠিকানার ক্ষেত্রেও পিতামহ বা মাতামহের নাম থাকাটা স্বাভাবিক। তাই নিজের স্বপক্ষে প্রমাণপত্রে এই চারজনের (বাবা, মা, পিতামহ, মাতামহ) নামই দেওয়া যুক্তিযুক্ত ও বাঞ্ছনীয়।”
অর্থাৎ, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় কারও নাম না থাকলেও ভয় নেই। বাবা-মা বা পিতামহ-মাতামহের নাম উল্লেখ করে সহজেই সম্পূর্ণ করা যাবে গণনা ফর্ম। এখন শুধু সময় মতো সই করে ফর্ম জমা দিলেই নিশ্চিত হবে খসড়া ভোটার তালিকায় আপনার নাম!