Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

সবচেয়ে বেশি নাম বাদ যাচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়, কোথায় কম? তালিকা প্রকাশ করল কমিশন

গোটা রাজ্যে আন-কালেক্টেবল ফর্মের মোট সংখ্যা ৫৮ লক্ষ ১৭ হাজার ৮৫১টি।

সবচেয়ে বেশি নাম বাদ যাচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়, কোথায় কম? তালিকা প্রকাশ করল কমিশন

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 12 December 2025 16:56

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবারই শেষ হয়েছে এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া। এরপরই রাজ্যের আন-কালেক্টেবল (uncollectible forms) ফর্মের মোট সংখ্যা জানা গেল।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টে পর্যন্ত রাজ্যে আন-কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা ৫৮ লক্ষর কিছু বেশি ছিল। এদিন কমিশনের (Eelction Commission) প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় দেখা যাচ্ছে গোটা রাজ্যে আন-কালেক্টেবল ফর্মের মোট সংখ্যা ৫৮ লক্ষ ১৭ হাজার ৮৫১টি। অর্থাৎ এই বিপুল সংখ্যক নাম এবার ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়তে চলেছে।

আন-কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি রয়েছে ক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়-৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৪৭টি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, যেখানে আন-কালেক্টবল ফর্মের সংখ্যা ৭ লক্ষ ৯২ হাজার ৬৪টি। আন-কালেক্টেবল ফর্মের  সংখ্যা সবচেয়ে কম জমা পড়েছে কালিম্পং জেলায়- ১৭ হাজার ৩২১টি।

নিচে রইল জেলা ভিত্তিক মোট ভোটার, ডিজিটাইজড এবং আন-কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা।

এবার ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে। সেই তালিকা সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ এবং দাবি কমিশনে জানানো যাবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। সে সব অভিযোগ খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করা, বিতর্কের নিষ্পত্তি করা, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে শুনানিতে (হিয়ারিং) ডাকা এবং আলোচনার সাপেক্ষে সন্দেহ দূর করার কাজ ইআরও-রা করবেন ১৬ ডিসেম্বর থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।


```