জামিনে মুক্তি পেয়েই সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 26 November 2025 16:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জামিনে মুক্তি পেয়েই সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। এবার সরাসরি বিধানসভার (West Bengal Legislative Assembly) স্পিকারের দফতরে চিঠি পাঠালেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। জানতে চাইলেন, অধিবেশন কবে বসবে, কোথায় তাঁর আসন নির্ধারিত হবে। তবে সেই চিঠিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় (Biman Banerjee)।
বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নে স্পিকারের সরাসরি জবাব, “বিধানসভার অধিবেশন কবে খুলছে, কোথায় বসবেন— এসব জানতে চেয়ে পার্থবাবু চিঠি লিখেছেন। আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়ার কিছু নেই। সব বিধায়ক যখন জানবেন, তাঁকেও জানানো হবে।”
তবে বিধানসভা সূত্রের খবর, পার্থ চিঠি পাঠালেও এখনও পর্যন্ত প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষ বিধানসভাকে কোনও চিঠি পাঠায়নি। সেই নথি না এলে পার্থর অধিবেশনে যোগ দেওয়া নিয়েই অনিশ্চয়তা। জেল থেকে বেরিয়েই তিনি ঘনিষ্ঠদের বলেছেন, কাজে ফিরতে চান। এমনকি শীতকালীন অধিবেশনে যোগ দেওয়ারও ইচ্ছা রয়েছে তাঁর। কিন্তু বড় প্রশ্ন— তিনি বসবেন কোথায়?
কারণ, তৃণমূল তাঁকে ছ’ বছরের জন্য সাসপেন্ড করেছে। ফলে পুরনো জায়গায় বসার প্রশ্নই নেই। বিধানসভার আসনবিন্যাস অনুযায়ী, স্পিকারের ডানদিকে মুখ্যমন্ত্রী-সহ মন্ত্রীরা, তার পাশ দিয়ে শাসকদলের বিধায়করা। স্পিকারের বামদিকে বসেন বিজেপি বিধায়করা। মাঝের সারিতে আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি। সূত্রের অনুমান, সাসপেন্ডেড বিধায়ক হিসেবে নওসাদের পাশেই বসতে হতে পারে পার্থকে।
একই সঙ্গে সংবিধান দিবসেই বিরোধীদের দিকে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়ে তিনি বলেন, “ওরা সংবিধান মানেন? আমরা সংবিধান মেনেই সিদ্ধান্ত নিই। কোথায় সংবিধান মানা হচ্ছে না, সেটা দেখালে ভাল হয়। আমার তো মনে হয়, ওরা সংবিধানের গুরুত্বই বোঝেন না।”
একই সঙ্গে এসআইআর নিয়ে মানুষের আতঙ্ক বাড়ার জন্য বিরোধীদেরই দায়ী করেন স্পিকার। তাঁর অভিযোগ, “তাড়াহুড়ো করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।”