মৌসুমি অক্ষরেখা বর্তমানে বিকানের, কোটা, গোপালপুর হয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এর প্রভাবে বঙ্গোপসাগরের দিক থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে স্থলভাগে, ফলে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি এখনও বজায় আছে।
.jpg.webp)
ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 1 September 2025 10:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গে তেমন একটা ভারী বৃষ্টি (Heavy Rain in Bengal) দেখা যায়নি। কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি হলেও টানা বর্ষণ হয়নি। তবে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, ফের বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে দক্ষিণে। মঙ্গলবার থেকেই কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় ঝড়বৃষ্টি হতে পারে (Weather Forecast)।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মৌসুমি অক্ষরেখা বর্তমানে বিকানের, কোটা, গোপালপুর হয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এর প্রভাবে বঙ্গোপসাগরের দিক থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে স্থলভাগে, ফলে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি এখনও বজায় আছে।
রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর ছাড়া দক্ষিণবঙ্গের অন্য কোথাও তেমন বৃষ্টি হয়নি। তবে মঙ্গলবার থেকে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া এবং পূর্ব বর্ধমানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এরই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে। বুধবারও দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় টানা বৃষ্টি চলছিল। কালিম্পঙে প্রবল বর্ষণের কারণে ধস নেমে বন্ধ হয়ে যায় ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তবে আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, উত্তরে বৃষ্টির দাপট এবার কিছুটা কমবে। শুধু জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় সোমবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যা ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
তাপমাত্রার দিক থেকে দেখা গেছে, রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি। শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নেমেছিল ৩১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় সামান্য কম।