
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 1 May 2024 08:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জঙ্গলমহলে আর নেই মাওবাদী আতঙ্ক। কিন্তু ভয় রয়েছে বন্যপ্রাণীর হামলার! বিশেষ করে বিগত দিনে হাতির হানার খবর প্রায়ই সামনে এসেছে। তাই ভোটের সময়ে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে বনদফতর।
বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গলমহল এলাকা। সেখানেই প্রতি বছর ঝাড়খণ্ডের দমলা রেঞ্জ থেকে বহু হাতি ঢুকে পড়ে। হাতির হানায় অনেক মানুষের মৃত্যুও হয়। লোকসভা ভোটের সময় নিয়মিত হাতিদের গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছে। ভোটের দিন জঙ্গলের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভোটারদের পাহারাও দেবেন বনদফরের কর্মীরা।
আগামী ২৫ মে জঙ্গলমহলে ভোট। তিনটি জেলার বহু বুথ একেবারে জঙ্গল এলাকায় রয়েছে। ইতিমধ্যে হাতির হানা ঠেকাতে বেশ কয়েকটি ব্যবস্থা নিয়েছে বনদফতর। সূত্রের খবর, ২০১০ সালে তৈরি বনদফরের টাস্কফোর্সের বাহিনী কাজ করছে। ক্যামেরার মাধ্যমে রিয়েল টাইম মনিটরিংও চলছে। কিন্তু কোনও কিছু করেই হাতির হামলা পুরোপুরি ঠেকানো যায়নি। তাই ভোটের দিনগুলিতে বিপদ এড়াতে আগে থেকেই সতর্ক হচ্ছে বন দফতর। যেখানে ভোটকেন্দ্র তৈরি হবে, তার চার-পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে হাতিদের গতিবিধি দেখলেই তাদের নিরাপদ দূরত্বে তাড়ানোর ব্যবস্থা করা হবে।
সূত্রের খবর, গত সেপ্টেম্বর মাসে দলমা রেঞ্জ থেকে ৬৯টি হাতির একটি বড় পাল তিনধাপে বাঁকুড়া ডিভিশনের জঙ্গলে ঢুকেছিল। গত ৯ এপ্রিল পর্যন্ত তাদের পুনরায় ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের জঙ্গলে এখনও প্রায় ১৪০ টি হাতি রয়েছে।এরই মধ্যে গত সোমবার বাঁকুড়া ডিভিশনে তিনটি, পশ্চিম মেদিনীপুর ডিভিশনে ৭০টি, রূপনারায়ণ বন বিভাগে তিনটি এবং ঝাড়গ্রাম ডিভিশনে ৩৯টি হাতি শনাক্তও করা গিয়েছে। তাই ভোটারদের উপর হাতির হানার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন বনদফতরের কর্মীরা।