বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে নয়াদিল্লির উপর চাপ বাড়াতে কদিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ভারতের অর্থনীতি মরা। তৃণমূল অবশ্য তা নিয়ে ভালমন্দ কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

শেষ আপডেট: 5 August 2025 12:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে নয়াদিল্লির উপর চাপ বাড়াতে কদিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ভারতের অর্থনীতি মরা। তৃণমূল অবশ্য তা নিয়ে ভালমন্দ কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বোঝাতে চাইলেন বাংলার অর্থনীতি কতটা চাঙ্গা ও সুস্থ রয়েছে।
Glad to share that West Bengal has reported a robust 12 per cent year-on-year growth in gross Goods and Services Tax (GST) collections for July 2025, recording collection of Rs 5,895 crore, compared to Rs 5,257 crore in the same month last year, according to provisional figures…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) August 5, 2025
জুলাই ২০২৫-এ রাজ্যে জিএসটি (GST Collection West Bengal) আদায়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে। গত বছরের তুলনায় এ বছরের জুলাই মাসে রাজ্যের মোট পণ্য ও পরিষেবা কর (GST) সংগ্রহে ১২ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, রাজ্যে এই মাসে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫,৮৯৫ কোটি টাকা, যেখানে গত বছরের একই সময়ে তা ছিল ৫,২৫৭ কোটি টাকা।
কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে প্রকাশিত প্রাথমিক পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে মুখ্যমন্ত্রী এ তথ্য শেয়ার করেন। তিনি আরও জানান, জুলাই পর্যন্ত রাজ্যের মোট জিএসটি আদায়ের যৌথ বৃদ্ধির হার (cumulative growth rate) ৭.৭১ শতাংশ।
এই তথ্য সামনে এনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এটি রাজ্যের বাণিজ্য ও ভোগ-বিলাস খাতে ধারাবাহিক উন্নতির প্রতিফলন। আমাদের আর্থিক স্বাস্থ্য যে সুস্থ ও সচল, এটা তারই স্পষ্ট প্রমাণ।”
রাজ্যের অর্থনীতির ক্ষেত্রে এই প্রবৃদ্ধিকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা মনে করছেন, চলতি আর্থিক বছরে এই প্রবণতা বজায় থাকলে তা রাজ্যের রাজস্ব বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি এই সংখ্যা ব্যবসা-বাণিজ্য ও গ্রাহক চাহিদা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা ভবিষ্যতের আর্থিক পরিকল্পনায় রাজ্য সরকারকে শক্ত ভিত দিতে পারে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরেই রাজ্য সরকার বিভিন্ন শিল্প ও পরিষেবা খাতে বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়াতে নানান পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই জিএসটি বৃদ্ধির পরিসংখ্যান সেই উদ্যোগেরই ইতিবাচক প্রতিফলন বলে মনে করছেন প্রশাসনিক মহল।