Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
West Bengal Election 2026 | ‘৫০-আসন জিতে তৃণমূলকে ১৫০-আসনে হারাব’ মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্ল

Beldanga: এনআইএ-কে তথ্য দিতে আপত্তি! বেলডাঙা মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে নতুন আর্জি রাজ্যের

এনআইএ জানিয়েছে, এর আগেও দু’বার ধৃতদের কলকাতায় আনা যায়নি। শেষ শুনানিতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে তাঁদের পেশ করা হয়েছিল। তবে এতে তদন্তে বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ।

Beldanga: এনআইএ-কে তথ্য দিতে আপত্তি! বেলডাঙা মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে নতুন আর্জি রাজ্যের

ফাইল ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 19 February 2026 16:42

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেলডাঙা মামলায় (Beldanga Case) নতুন করে আইনি লড়াই শুরু হল। নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) রাজ্য। সরকার জানিয়েছে, জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে তথ্য তুলে দেওয়ার বিষয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে। রাজ্যের প্রশ্ন, যখন বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টে বিচারাধীন, তখন নিম্ন আদালত কীভাবে তথ্য হস্তান্তরের নির্দেশ দিতে পারে? শুক্রবার এই আবেদনের শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে, একই মামলায় বৃহস্পতিবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে এনআইএ (NIA - National Investigation Agency)। তদন্তকারীদের অভিযোগ, বেলডাঙা মামলার ধৃতদের কলকাতায় আদালতে হাজির করাতে গিয়ে বারবার সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। রাজ্য পুলিশের তরফে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না মেলায় অভিযুক্তদের আনা সম্ভব হচ্ছে না বলেই দাবি সংস্থার।

এনআইএ জানিয়েছে, এর আগেও দু’বার ধৃতদের কলকাতায় আনা যায়নি। শেষ শুনানিতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে তাঁদের পেশ করা হয়েছিল। তবে এতে তদন্তে বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ। তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তদের সরাসরি আদালতে হাজির করা জরুরি - এই যুক্তি তুলে ধরে সংস্থা আদালতের কাছে অনুমতি চেয়েছে, যাতে তারা নিজেরাই নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়ে অভিযুক্তদের কলকাতায় আনতে পারে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ‘রেডিওগ্রাম’-এ জানানো হয়, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ায় পর্যাপ্ত পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা সম্ভব নয়। সেই কারণে এসকর্ট দেওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য, একাধিকবার অনুরোধ সত্ত্বেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়নি।

রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সংস্থার এই টানাপড়েনে মামলার অগ্রগতি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। একদিকে তথ্য হস্তান্তর নিয়ে আইনি প্রশ্ন, অন্যদিকে অভিযুক্তদের আদালতে পেশ করা নিয়ে প্রশাসনিক জট - সব মিলিয়ে বেলডাঙা মামলা নতুন করে রাজনৈতিক ও আইনি গুরুত্ব পাচ্ছে।

কী নিয়ে বেলডাঙা মামলা?

চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলাজুড়ে উত্তেজনা ছড়ায় এক শ্রমিকের রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, খুন করে তাঁর দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মৃতদেহ এলাকায় পৌঁছতেই বিক্ষোভ বাড়তে থাকে। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ থেকে শুরু করে রেললাইন আটকে দেওয়া- পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়।

শিয়ালদহ–লালগোলা শাখার (Sealdah-lalgola Train) মহেশপুরের কাছে রেললাইনে বাঁশ ফেলে অবরোধ করেন স্থানীয়রা। বাঁশে ঝোলানো ছিল মৃতদেহের ছবি। পুলিশ পৌঁছনোর পর উত্তেজনা আরও বাড়ে। স্থানীয়দের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়ায় পুলিশ। সাংবাদিকরাও আক্রান্ত হন। ঘটনার গুরুত্ব বিচার করে তদন্তভার চলে যায় এনআইএ-র হাতে।


```