কমিশনের বক্তব্য, যেহেতু এখনও একাধিক জেলায় এখনও আনকালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যাটা আপলোড করা হচ্ছে না, তাই স্বাভাবিকভাবেই আসল সংখ্যাটা পাওয়া যাচ্ছে না।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 3 December 2025 21:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলায় এসআইআরের (SIR in West Bengal) ফর্ম সংগ্রহের কাজ প্রায় শেষের পথেই। সিইও দফতরের তথ্য বলছে, বুধবার বিকেলের মধ্যে ৯৮ শতাংশের বেশি (৯৮.২১ শতাংশ) ফর্ম ডিজিটাইজড হয়ে গেছে। মৃত ভোটারের সংখ্যাও এদিন সকালের থেকে বেড়েছে।
কমিশনের (CEO Office) তরফে পাওয়া শেষ আপডেট অনুযায়ী, রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মৃত ভোটারের (Dead Voters) সংখ্যা ২৩ লক্ষ পেরিয়েছে। আর আপাতত আন-কালেক্টেটবল ফর্ম (Uncollected Forms) ৫০ লক্ষ ২২ হাজার ৪১০। এছাড়া অনুপস্থিত বা খুঁজে পাওয়া যায়নি এমন ভোটারের সংখ্যা ৮ লক্ষ পেরিয়েছে। অন্যত্র চলে যাওয়া ভোটারের সংখ্যা সাড়ে ১৭ লক্ষের বেশি। ডুপ্লিকেট ভোটারের সংখ্যা ১.২ লক্ষের বেশি।
এখন ভোটারদের মনে প্রশ্ন উঠতে পারে, এই আন-কালেক্টেবল (Uncollectable Form) বলতে ঠিক কাদের কথা বলা হচ্ছে। কমিশন (Election Commission) আগেই জানিয়েছিল, যারা মৃত, পাওয়া যায়নি বা অনুপস্থিত, পার্মানেন্টলি শিফটেড অর্থাৎ যাঁরা স্থায়ীভাবে সরে গিয়েছে, আগেই এনরোল করা ছিল বা নাম ছিল এবং অন্যান্যদের মিলিয়ে এই আন-কালেক্টেবল।
এক নজরে বাকি জেলার তালিকা -
কোচবিহার: ১ লক্ষ ৬ হাজার ২০৩
দার্জিলিং: ১ লক্ষ ১০ হাজার ৩৮৯
উত্তর দিনাজপুর: ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৬৬২
দক্ষিণ দিনাজপুর: ৭৩ হাজার ২৯৯
মালদহ: ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৭০০
নদিয়া: ১ লক্ষ ৯০ হাজার ৮৫৮
কলকাতা দক্ষিণ: ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ৯৫৭
হুগলি: ২ লক্ষ ৪৭ হাজার ৭৩৬
পূর্ব মেদিনীপুর: ১ লক্ষ ৩০ হাজার ৪১৮
পশ্চিম মেদিনীপুর: ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫০৮
পুরুলিয়া: ১ লক্ষ ৬১ হাজার ৯১৫
বাঁকুড়া: ১ লক্ষ ২০ হাজার ৮১৫
পূর্ব বর্ধমান: ১ লক্ষ ৯৬ হাজার ১১৯
বীরভূম: ১ লক্ষ ৫৮ হাজার ২৭৩
জলপাইগুড়ি: ৯৮ হাজার ৪১৯
যদিও কমিশনের বক্তব্য, যেহেতু এখনও একাধিক জেলায় এখনও আনকালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যাটা আপলোড করা হচ্ছে না, তাই স্বাভাবিকভাবেই আসল সংখ্যাটা পাওয়া যাচ্ছে না। যে কারণে বেশ কয়েকজন বিএলও-র কাজের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন দিল্লির নিয়োগ করা স্পেশ্যাল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত (Subrata Gupta)।
কমিশন খবর পেয়েছে, অনেক জায়গায় তিনবার করে ভিজিট করার পরেও চূড়ান্ত তালিকা আপলোড করতে দেরি করছেন বেশ কিছু বিএলও। এমনও খবর পাওয়া গিয়েছে যে স্থানীয় প্রশাসনের কর্তারাই নাকি বিএলও-দের বলছেন এখন কিছু আপলোড করার দরকার নেই, একেবারে শেষ মুহূর্তে যখন বলা হবে তখন করলেও হবে। যা নিয়ে অত্যন্ত বিরক্ত প্রকাশ করেন স্পেশ্যাল অবজার্ভার। ঘুরিয়ে জানতেও চেয়েছিলেন, ঠিক কার নির্দেশের অপেক্ষা করছেন বিএলও-রা।