কমিশনের হিসেব বলছে, আজ সকাল ১১.৩০ পর্যন্ত আন-কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা ৫০ লাখ পেরিয়েছে। সংখ্যার বিচারে কোন জেলায় কত, সেটাও প্রকাশ্যে এসেছে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 3 December 2025 12:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের এসআইআরের (SIR in West Bengal) ফর্ম সংগ্রহের কাজ প্রায় শেষের পথে। আর এই সময়ই একের পর এক বড় তথ্য প্রকাশ্যে আসছে। কমিশনের (CEO Office) হিসেব বলছে, আজ সকাল ১১.৩০ পর্যন্ত আন-কালেক্টেবল ফর্মের (Uncollected Form) সংখ্যা ৫০ লাখ পেরিয়েছে। সংখ্যার বিচারে কোন জেলায় (District) কত, সেটাও প্রকাশ্যে এসেছে।
বুধবার সকাল ৮ টা পর্যন্ত রাজ্যে মৃত ভোটারের (Dead Voters) সংখ্যা ২২ লক্ষ ৮২ হাজার ৭৮৯, অনুপস্থিত ভোটারের সংখ্যা ৭ লক্ষ ৬১ হাজার ৫৩১, পাকাপাকি ভাবে অন্যত্র চলে যাওয়া ভোটারের সংখ্যা ১৭ লক্ষ ১৯ হাজার ৩৬৩, এনরোলড ভোটারের সংখ্যা, ১ লক্ষ ১২ হাজার ৭৫, অন্যান্য ২৪ হাজার ৬৭৯। আর মোট আনকাল্টেক্টবল ফর্ম ৪৯ লক্ষ ৪৩৭। তবে সূত্রের খবর, বেলা ১১.৩০ পর্যন্ত এই সংখ্যা ৫০ লাখ পেরিয়েছে।
জেলার হিসেব বলছে, আন-কালেক্টেড ফর্মের বিচারে সবথেকে এগিয়ে উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) - ৬ লক্ষ ৮৯ হাজার ৮৪৩। এরপরে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) - ৫ লক্ষ ৪২ হাজার ৬৮৭। তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম এবং ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে হাওড়া ৩ লক্ষ ৭২ হাজার, ৮০৪, কলকাতা উত্তর: ৩ লক্ষ ১৫ হাজার ৭৪৫, পশ্চিম বর্ধমান - ২ লক্ষ ৬৯ হাজার, ৩২২ এবং মুর্শিদাবাদ - ২ লক্ষ ৫২ হাজার ৫০২।
এক নজরে বাকি জেলার তালিকা -
কোচবিহার: ১ লক্ষ ৬ হাজার ২০৩
দার্জিলিং: ১ লক্ষ ১০ হাজার ৩৮৯
উত্তর দিনাজপুর: ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৬৬২
দক্ষিণ দিনাজপুর: ৭৩ হাজার ২৯৯
মালদহ: ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৭০০
নদিয়া: ১ লক্ষ ৯০ হাজার ৮৫৮
কলকাতা দক্ষিণ: ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ৯৫৭
হুগলি: ২ লক্ষ ৪৭ হাজার ৭৩৬
পূর্ব মেদিনীপুর: ১ লক্ষ ৩০ হাজার ৪১৮
পশ্চিম মেদিনীপুর: ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫০৮
পুরুলিয়া: ১ লক্ষ ৬১ হাজার ৯১৫
বাঁকুড়া: ১ লক্ষ ২০ হাজার ৮১৫
পূর্ব বর্ধমান: ১ লক্ষ ৯৬ হাজার ১১৯
বীরভূম: ১ লক্ষ ৫৮ হাজার ২৭৩
জলপাইগুড়ি: ৯৮ হাজার ৪১৯
এখন ভোটারদের মনে প্রশ্ন উঠতে পারে, এই আন-কালেক্টেবল (Uncollectable Form) বলতে ঠিক কাদের কথা বলা হচ্ছে। কমিশন (election Commission) আগেই জানিয়েছিল, যারা মৃত, পাওয়া যায়নি বা অনুপস্থিত, পার্মানেন্টলি শিফটেড অর্থাৎ যাঁরা স্থায়ীভাবে সরে গিয়েছে, আগেই এনরোল করা ছিল বা নাম ছিল এবং অন্যান্যদের মিলিয়ে এই আন-কালেক্টেবল।
কমিশনের বক্তব্য, যেহেতু এখনও একাধিক জেলায় এখনও আন কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যাটা আপলোড করা হচ্ছে না, তাই স্বাভাবিকভাবেই আসল সংখ্যাটা পাওয়া যাচ্ছে না। যে কারণে বেশ কয়েকজন বিএলও-র কাজের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন দিল্লির নিয়োগ করা স্পেশ্যাল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত (Subrata Gupta)।
কমিশন খবর পেয়েছে, অনেক জায়গায় তিনবার করে ভিজিট করার পরেও চূড়ান্ত তালিকা আপলোড করতে দেরি করছেন বেশ কিছু বিএলও। এমনও খবর পাওয়া গিয়েছে যে স্থানীয় প্রশাসনের কর্তারাই নাকি বিএলও-দের বলছেন এখন কিছু আপলোড করার দরকার নেই, একেবারে শেষ মুহূর্তে যখন বলা হবে তখন করলেও হবে। যা নিয়ে অত্যন্ত বিরক্ত প্রকাশ করেন স্পেশ্যাল অবজার্ভার।