কমিশনের অভিযোগ, তিনি কমিশনকে কোনও রকম পূর্বতথ্য না দিয়ে বা অনুমতি না নিয়েই ১১ জন অতিরিক্ত এইআরও নিয়োগ করেছেন। তাই ওই ১১ জন আধিকারিকের সমস্ত পদক্ষেপ আইনত অবৈধ ও বাতিল বলে গণ্য হবে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 30 January 2026 18:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বসিরহাট-২ ব্লকের বিডিও (Basirhat BDO) সুমিত্র প্রতীম আইনবিরুদ্ধভাবে ১১ জন আধিকারিককে নিযুক্ত করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার জেরে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন (ECI)। এই ইস্যুতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে (Nandini Chakraborty) চিঠি পাঠিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল (Manoj Agarwal)। তবে শুক্রবার কমিশনকে পাল্টা চিঠি দিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব।
সুমিত্র প্রতীমকে ইতিমধ্যে সমস্ত নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কমিশনের অভিযোগ, তিনি কমিশনকে কোনও রকম পূর্বতথ্য (Intimation) না দিয়ে বা অনুমতি না নিয়েই ১১ জন অতিরিক্ত এইআরও নিয়োগ করেছেন। তাই ওই ১১ জন আধিকারিকের সমস্ত পদক্ষেপ আইনত অবৈধ ও বাতিল বলে গণ্য হবে। তাঁরা যেসব শুনানি ও অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন, সেই সমস্ত বাতিল করে ফের যথাযথ নিয়ম মেনে শুনানি সম্পন্ন করতে হবে - এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
তবে মুখ্যসচিব কমিশনকে পাল্টা চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, বসিরহাটের বিডিও-র কোন খারাপ উদ্দেশ্য ছিল না। উনি ১১ জনকে নিয়োগ করলেও কোন 'ডিস্পোসাল' করেননি নিযুক্তরা। তাই তাঁকে ক্ষমা করে দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে।
এদিকে আবার এসআইআর (SIR West Bengal) সংক্রান্ত কাজের অগ্রগতি নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের উপর সময়ের কাঁটা বেঁধে আরও কড়া হয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। নোটিস (SIR Notice) পাঠানো থেকে শুরু করে নথি আপলোড, মাঠপর্যায়ের আধিকারিকদের ভূমিকা— সব ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট সময়সীমা মেনে কাজ শেষ করার স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (CEC Gyanesh Kumar) স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, আর ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না।
শুক্রবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে (SIR Virtual Meeting) নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকের মূল ফোকাসই ছিল দুই ২৪ পরগনাকে (North and South 24 Parganas) কেন্দ্র করে। এসআইআর-এর (SIR Hearing News) কাজে ঢিলেমি নিয়ে এই দুই জেলা নিয়ে কমিশনের অসন্তোষের ইঙ্গিত আগেও মিলেছে (SIR News)। তাছাড়া, কমিশনের দেওয়া তালিকার বাইরে কেউ যদি শুনানিতে নথি জমা দিয়েছেন। তাঁদের নাম কাটা যাবে বলে জানিয়ে রেখেছে কমিশন। এদিন স্পেশ্যাল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত জানিয়ে দিয়েছেন, এখনও যেহেতু শুনানি পর্ব চলছে, কাজেই সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভোটাররা নতুন করে তাঁদের নথি জমা দিতে পারবেন।