এর আগেই সোমবার বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় জলসীমায় ঢুকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মৎস্যজীবীদের একটি ট্রলারে হামলার অভিযোগ উঠেছিল বাংলাদেশ নৌসেনার বিরুদ্ধে।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 18 December 2025 10:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বঙ্গোপসাগরে উত্তেজনার আবহেই ফের সীমান্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ। ভারতের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরার অভিযোগে বাংলাদেশের দু’টি ট্রলার আটক (Two trawlers of Bangladesh) করল ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। ট্রলার দু’টিতে থাকা বাংলাদেশের ৩৫ জন মৎস্যজীবীকে আটক করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফ্রেজারগঞ্জে আনা হয়েছে। বুধবার তাঁদের গ্রেফতার করেছে ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশ (Two trawlers of Bangladesh arrested 35 fishermen for trespassing in Indian waters)। বৃহস্পতিবার তাঁদের কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে হাজির করানো হবে।
উপকূলরক্ষী বাহিনীর সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৬ ডিসেম্বর এফবি ‘রূপসী সুলতানা’ ও এফবি ‘সাবিনা’ নামে দু’টি ট্রলার ভারতের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরছিল। নিয়মিত টহলের সময় বিষয়টি নজরে আসে উপকূলরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের। সঙ্গে সঙ্গে ট্রলার দু’টি আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ধৃত মৎস্যজীবীরা বাংলাদেশের কুতুবদিয়া উপজেলার বাসিন্দা।
এর পরেই ৩৫ জন মৎস্যজীবীকে বুধবার ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। ওই দিন বিকেলেই তাঁদের ফ্রেজারগঞ্জ মৎস্যবন্দরে আনা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বেলায় কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে ধৃতদের পেশ করা হবে।
উল্লেখ্য, এর আগেই সোমবার বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় জলসীমায় ঢুকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মৎস্যজীবীদের একটি ট্রলারে হামলার অভিযোগ উঠেছিল বাংলাদেশ নৌসেনার বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার পর ট্রলারটি ডুবে যায়। মঙ্গলবার সকালে ওই ট্রলারে থাকা ১১ জন মৎস্যজীবীকে নামখানার নারায়ণপুর ঘাটে আনা হলেও নিখোঁজ ছিলেন পাঁচ জন। বুধবার সকালে ট্রলারটি টেনে আনার পর উদ্ধার হয় দুই মৎস্যজীবীর দেহ। এখনও তিন জন নিখোঁজ।
সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের ভারতের জলসীমায় অনুপ্রবেশের অভিযোগ উঠল বাংলাদেশের দু’টি ট্রলারের বিরুদ্ধে। যার জেরে বঙ্গোপসাগরে নিরাপত্তা ও সীমান্ত-নিয়ন্ত্রণ ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।