হাওড়ার পিলখানায় প্রোমোটার সৌফিক খান হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই তদন্তভার গ্রহণ করেছে সিআইডি। ধৃতদের জেরা করে এই খুনের নেপথ্যে থাকা বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের শিকড়ে পৌঁছতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

ছবি সংগৃহীত
শেষ আপডেট: 5 March 2026 13:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পিলখানায় প্রোমোটার (Pilkhana Promoter) খুনের সপ্তাহখানেক পর দিল্লি (Delhi) থেকে গ্রেফতার করা হল মূল দুই অভিযুক্ত হারুন খান (Harun Khan) ও রোহিত হোসেনকে (Rohit Sen)। গোলাবাড়ি থানার একটি বিশেষ দল গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রাজধানীতে হানা দিয়ে ওই দু’জনকে পাকড়াও করে। হাওড়ার পিলখানায় প্রোমোটার সৌফিক খান হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই তদন্তভার গ্রহণ করেছে সিআইডি। ধৃতদের জেরা করে এই খুনের নেপথ্যে থাকা বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের শিকড়ে পৌঁছতে চাইছেন তদন্তকারীরা।
তদন্তে সিআইডি ও গোয়েন্দা তৎপরতা
শনিবার দুপুরে পিলখানার ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন সিআইডির পদস্থ কর্তারা। ডিআইজি (CID) ইন্দ্র চক্রবর্তীর নেতৃত্বে একটি দল স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করেন। ইন্দ্রবাবু জানান, "তদন্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মূল অভিযুক্তরা ইতিমধ্যেই তদন্তের আওতায় চলে এসেছে। প্রয়োজনীয় সমস্ত প্রমাণ সংগ্রহ করছেন আধিকারিকরা।" উল্লেখ্য, এই মামলায় জড়িত সন্দেহে আগেই কয়েক জন পুলিশের জালে ধরা পড়েছিল।
জলের ট্যাঙ্কে লুকনো ছিল আগ্নেয়াস্ত্র
তদন্তে নেমে শুক্রবার রাতে নাটকীয় মোড় আসে। ধৃতদের জেরা করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কলকাতার বৌবাজার থানা এলাকার একটি বাড়িতে তল্লাশি চালায় গোলাবাড়ি থানার পুলিশ। সেখানে মুন্না নামে এক ব্যক্তির বাড়ির জলের ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার হয়েছে দু’টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং দু’টি ম্যাগাজিন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে এই মারণাস্ত্র দিয়েই সৌফিককে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছিল।
খুনের পর পলাতক ছিল অভিযুক্তরা
ধৃত মুন্না পুলিশকে জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের ঠিক পরেই হারুন এবং রোহিত তার কাছে ওই আগ্নেয়াস্ত্রগুলি লুকোতে দিয়ে গা ঢাকা দেয়। গত কয়েক দিন ধরে ক্রমাগত ডেরা বদল করার পর শেষমেশ দিল্লির গোপন আস্তানা থেকে ধরা পড়ে তারা। এই ঘটনার সঙ্গে প্রোমোটিং সংক্রান্ত বিবাদ না কি অন্য কোনও পুরনো শত্রুতা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।