বৃহস্পতিবার ফুরফুরায় পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকি বলেন, "এই সরকারের প্রতি আমার রাগ নেই। কিন্তু এদের কিছু বিধায়ক আছে যারা তোলাবাজ, চরিত্রহীন, হিন্দু মুসলিমদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়। ২০২৬ সালে এদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলব।"

শেষ আপডেট: 20 November 2025 19:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: ফুরফুরায় পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকি জানিয়ে দিলেন ২০২৬ এ তোলাবাজ তৃণমূল বিধায়কদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলবেন তিনি। অভিযোগ করলেন, তৃণমূলে কিছু বিধায়ক আছেন যারা তোলাবাজ, চরিত্রহীন, হিন্দু মুসলিমদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়। এও বললেন, "ক্যানিং এর মানুষ সওকত মোল্লাকে চায় না।" ত্বহা সিদ্দিকির এই বক্তব্যের ব্যাপারে কিছু বলতে চায়নি তৃণমূল।
বৃহস্পতিবার ফুরফুরায় পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকি বলেন, "এই সরকারের প্রতি আমার রাগ নেই। কিন্তু এদের কিছু বিধায়ক আছে যারা তোলাবাজ, চরিত্রহীন, হিন্দু মুসলিমদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়। ২০২৬ সালে এদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলব। বাংলার মানুষ চাইছে তৃণমূল থাকুক। কিন্তু তৃণমূলের কিছু বিধায়ক তা চাইছেন না। তাঁরা যদি চাইতেন সরকার থাকুক, তাহলে মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতেন।"
ত্বহা সিদ্দিকির বক্তব্য, "বাংলার এবার মমতা বিরোধী নয়, ব্যক্তি বিরোধী ভোট হবে। ক্যানিং ও ভাঙড়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলে দেখেছি ৯০ শতাংশ মানুষ ওকে চায় না। ঘৃণা করে। সবাই জানে অত্যাচারী সওকত, তোলাবাজ সওকত। মুসলমানদের খাতা থেকে ওর নাম মুছে গেছে। এমনিতে ভাঙর বা ক্যানিংয়ে তৃণমূল জিতবে। কিন্তু সওকতকে দাঁড় করালে ১০০ শতাংশ হারবে। ভোট করতে দিতে হবে। বিহারের মতো জুলুম করে ভোট নিলে কিছু করার নেই।"
২০২৬কে সামনে রেখে ভাঙড়ের রাজনীতি ইতিমধ্যেই সরগরম। তৃণমূল নেতারাই দলের নেতাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন। আরাবুল ইসলাম, কাইজার আহমেদরা একযোগে ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকতের অপসারণ চাইছেন। শওকত শুধুমাত্র একজন বিধায়ক নন, এলাকায় শাসক দলের দাপুটে নেতা। কিছুদিন আগেও একবার তাঁর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী। যদিও বরাবরই তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিতি তার। বৃহস্পতিবার ফের মুখ খুললেন তিনি।
ত্বহার এই মন্তব্যের ব্যাপারে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে রাজি হননি। এ ব্যাপারে কিছু বলতে চাননি রাজ্যের মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তীও।