তৃণমূল সূত্রের খবর, এবারের শহিদ সমাবেশ শুধু মাত্র বার্ষিক কর্মসূচি নয়, ২০২৬-এর ভোটের প্রস্তুতির সূচনাও বটে। সেই বার্তাই পৌঁছে দেওয়া হবে বিশাল জমায়েতের মাধ্যমে।

নিজস্ব চিত্র।
শেষ আপডেট: 15 July 2025 14:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বছর ঘুরলেই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। তার আগে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উঠতে শুরু করেছে। ঠিক সেই প্রেক্ষিতেই ২১ জুলাই (21st July) তৃণমূল কংগ্রেসের বার্ষিক শহিদ দিবসের (Tmc Shaheed Divas) সভাকে কেন্দ্র করে জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে ধর্মতলায়। রবিবার থেকে শুরু হল শহিদ মঞ্চ তৈরির কাজ। তারই অঙ্গ হিসেবে এদিন সকালে ধর্মতলায় হল খুঁটি পুজো।
উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী, সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার, সাংসদ সায়নী ঘোষ, একাধিক বিধায়ক, কাউন্সিলর ও নেতাকর্মী। নেতারা জানান, অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে এবার সবচেয়ে বেশি জনসমাগম হবে ২১ জুলাইয়ের সমাবেশে।
এদিকে তৃণমূলের এই রাজনৈতিক জমায়েতের ঠিক আগেই রাজ্যে সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১৮ জুলাই তাঁর দুর্গাপুরে সভা করার কথা রয়েছে। এই সভা ঘিরেই তৃণমূল নেতৃত্বের কটাক্ষের ঝড়। দলের সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “সিপিএমের মতো বিজেপিও বাংলা থেকে শূন্য হয়ে যাবে। দুর্গাপুরে মোদী আসছেন আসলে শুভেন্দু বনাম দিলীপ ঘোষের সার্কাস দেখাতে।”
সাংসদ সায়নী ঘোষ বলেন, “১৮ তারিখ মোদী আসছেন, আর ১৭ তারিখ আমিও আসানসোলে সভা করব। তিনি কতটা জনপ্রিয়, সেটাই তো দেখতে চাই। আমরা সারা বছর মানুষের পাশে থাকি, ফলে বিজেপির ২০২৬-এ ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন পূরণ হবে না।”
দুর্গাপুরে মোদীর সভা নিয়ে সায়নীর আরও কটাক্ষ, “এত বার আসা-যাওয়া করে মানুষের ট্যাক্সের টাকা নষ্ট করার দরকার নেই। বরং এখানেই ঘর ভাড়া নিয়ে থাকুন না, তাহলে সুবিধা হবে!”
তৃণমূল সূত্রের খবর, এবারের শহিদ সমাবেশ শুধু মাত্র বার্ষিক কর্মসূচি নয়, ২০২৬-এর ভোটের প্রস্তুতির সূচনাও বটে। সেই বার্তাই পৌঁছে দেওয়া হবে বিশাল জমায়েতের মাধ্যমে।